📌 দীর্ঘ সময় ধরে ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে চোখে শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তি দেখা দেয়। চক্ষুবিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রতি মিনিটে ১৫ থেকে ২০ বার পলক ফেলার মাধ্যমে চোখের পানি নিয়ন্ত্রিত হয়। তবে স্ক্রিন ব্যবহারের সময় এই হার অর্ধেকের বেশি কমে যায়।
দীর্ঘ সময় ধরে ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে চোখে শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া, চুলকানি, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা এবং মাথাব্যথার মতো সমস্যা দেখা দেয়। একে বলা হয় কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম বা ডিজিটাল স্ক্রিন সিনড্রোম। চক্ষুবিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চোখের উপরিভাগে বিদ্যমান টিয়ার ফিল্ম ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই সমস্যাগুলো দেখা দেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে চোখে শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া ও চুলকানি দেখা দেয়
- 📌 প্রতি মিনিটে ১৫ থেকে ২০ বার পলক ফেলার মাধ্যমে চোখের পানি নিয়ন্ত্রিত হয়
- 📌 স্ক্রিন ব্যবহারের সময় পলক ফেলার হার অর্ধেকের বেশি কমে যায়
- 📌 টিয়ার ফিল্ম ক্ষতিগ্রস্ত হলে কর্নিয়ার স্নায়ুতে ব্যথা ও অস্বস্তি অনুভূত হয়
📰 বিস্তারিত
চোখের উপরিভাগে বিদ্যমান স্বচ্ছ পর্দা কর্নিয়া আলো প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে দেখতে সাহায্য করে। কর্নিয়ার স্বচ্ছতা ও মসৃণতা বজায় রাখার জন্য চোখের পানির স্তর টিয়ার ফিল্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চোখের পাতা পলক ফেলার মাধ্যমে এই পানিকে সমভাবে বিস্তৃত করে। তবে দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে পলক ফেলার হার কমে যায়। ফলে টিয়ার ফিল্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চোখে শুষ্কতা দেখা দেয়।
চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও সার্জন মো. ছায়েদুল হক জানান, প্রতি মিনিটে স্বাভাবিকভাবে ১৫ থেকে ২০ বার পলক ফেলার মাধ্যমে চোখের পানি নিয়ন্ত্রিত হয়। কিন্তু স্ক্রিন ব্যবহারের সময় এই হার অর্ধেকের বেশি কমে যায়। ফলে চোখে শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তি দেখা দেয়। দীর্ঘ সময় অব্যাহত থাকলে এটি প্রচণ্ড অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
তিনি আরও বলেন, স্ক্রিন ব্যবহারের সময় কিছু নিয়ম মেনে চললে চোখের সমস্যা এড়ানো সম্ভব। স্ক্রিনটি চোখের সমান্তরাল থেকে কিছুটা নিচুতে রাখতে হবে এবং উজ্জ্বলতা চোখের জন্য আরামদায়ক হতে হবে। এছাড়া প্রতি ২০ মিনিট পর পর বিরতি নিয়ে চোখকে বিশ্রাম দিতে হবে। স্ক্রিনটি চোখের খুব কাছে না রেখে ২০ থেকে ২৮ ইঞ্চি দূরে রাখা উচিত।
"স্ক্রিন ব্যবহারের সময় পলক ফেলার হার কমে যাওয়ার ফলে টিয়ার ফিল্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং চোখে শুষ্কতা দেখা দেয়। দীর্ঘ সময় অব্যাহত থাকলে এটি প্রচণ্ড অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ছায়েদুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ থেকে ২০ বার, ২০ মিনিট, ২০ থেকে ২৮ ইঞ্চি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!