📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুমের বিচারহীনতা ও আইনের ফাঁক: স্বজনদের প্রশ্ন 'তাঁরা কি বেঁচে আছেন'?

গুমের বিচারহীনতা ও আইনের ফাঁক: স্বজনদের প্রশ্ন 'তাঁরা কি বেঁচে আছেন'?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় গুমের বিচারহীনতা ও আইনের দুর্বলতা তুলে ধরা হয়। সাবেক প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামসহ মানবাধিকারকর্মীরা সরকারের বিরুদ্ধে গুমের অপরাধীদের সুরক্ষা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে আয়োজিত ‘শুনতে কী পাও?’ শীর্ষক আলোচনা সভায় গুমের বিচারহীনতা ও আইনের দুর্বলতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা উঠে আসে। সোমবার বেলা তিনটায় অনুষ্ঠিত এ সভায় অংশ নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন, সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম এবং গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গুম প্রতিরোধ আইনের ১৪ ধারায় আন্তঃবাহিনী তদন্তের বিধান থাকলেও তা অকার্যকর বলে অভিযোগ তোলেন আইনজ্ঞরা
  • 📌 গুম কমিশন গঠনের প্রস্তাবিত অধ্যাদেশে ‘আন্তঃবাহিনী তদন্ত’ ব্যবস্থা থাকায় ন্যায়বিচার পাওয়া অসম্ভব বলে মত দেন মানবাধিকারকর্মীরা
  • 📌 ২০১৩ সালের ৩ এপ্রিল র‌্যাব পরিচয়ে তুলে নেওয়া হাফেজ জাকির হোসেনের পরিবার এখনও তাঁর খোঁজ পায়নি
  • 📌 দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫৪ বছরেও গুম প্রতিরোধে কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেনি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম
  • 📌 আলোচনা সভায় প্রদর্শিত চলচ্চিত্র ‘জোয়ার’ যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা গুমের বিচারহীনতা ও আইনের দুর্বলতাগুলো তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর গুমের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সরকার আবার এমন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিচ্ছে, যা গুমের অপরাধীদের সুরক্ষা দিতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, গুম প্রতিরোধ আইনের ১৪ ধারায় আন্তঃবাহিনী তদন্তের বিধান থাকলেও তা বাস্তবে কার্যকর নয়। কারণ এক বাহিনী অন্য বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধ করে এবং ভুক্তভোগীকে অন্য বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। ফলে অপরাধীকে চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

মানবাধিকারকর্মী ও আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাবেক প্রধান নূর খান লিটন বলেন, গুমের ঘটনাগুলো ছিল সুপরিকল্পিত। ডিবি, র‌্যাব বা ডিজিএফআই পরিচয়ে ব্যক্তিদের তুলে নেওয়া হতো; কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ঘটনার সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন হয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘স্বজনেরা কি বেঁচে আছেন?’ গুম কমিশনের মাধ্যমে কিছু ঘটনার আভাস পাওয়া গেলেও কোনোটিরই বিচার হয়নি বলে জানান তিনি।

ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫৪ বছরেও গুম প্রতিরোধে কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেনি। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, সরকারি দল ও বিরোধী দলকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কারণ যারা ৩৬ জুলাইয়ের মহাবিপ্লব ঘটাতে পেরেছে, তারা প্রয়োজনে বর্তমান নেতৃত্বকেও জবাবদিহির মুখোমুখি করতে পারে।

"যে বাহিনী অপরাধ করেছে, সেই বাহিনী ছাড়া অন্য বাহিনী তদন্ত করবে — এ বিধানই আইনটিকে অকার্যকর করে তুলেছে।" — মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, সাবেক চিফ প্রসিকিউটর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আর সি মজুমদার মিলনায়তন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, নূর খান লিটন, মীর আহমদ বিন কাসেম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ধারা ১৪, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, আসন ১৪, ৫৪ বছর, ৩ এপ্রিল, র‌্যাব পরিচয়ে তুলে নেওয়া

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖