📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিদ্যুৎবিলের ভয়েই স্কুলে অজ্ঞান মোবারক, ছাত্রদের হাসির রোল

বিদ্যুৎবিলের ভয়েই স্কুলে অজ্ঞান মোবারক, ছাত্রদের হাসির রোল

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিদ্যুৎ অফিস থেকে আসা দুই হাজার পঁচাত্তর টাকার বিল দেখে ভয় পেয়ে স্কুলের পিয়ন মোবারক অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ক্লাস চলাকালীন তার এমন অবস্থা দেখে ছাত্ররা হাসিতে ফেটে পড়ে। বিদ্যুৎ অফিসের বিল নিয়ে তার ভীতির বিবরণ উঠে এসেছে ঘটনায়

পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস চলাকালীন হঠাৎ করেই স্কুলের আয়া রাবেয়া দৌড়ে এসে জানান, পিয়ন মোবারক অজ্ঞান হয়ে পড়েছেন। তার বর্ণনা ছিল এমনই চমকপ্রদ যে, ক্লাসরুম মুহূর্তেই হাসির রোল পড়ে যায়। রাবেয়া জানান, মোবারক ‘চোখমুখ উল্টাইয়া বেদিশা হয়ে পাকনা কাঁঠালের মতো ধপাস কইরা’ অজ্ঞান হয়ে যান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিদ্যুৎ অফিস থেকে আসা দুই হাজার পঁচাত্তর টাকার বিল দেখে মোবারক অজ্ঞান হয়ে পড়েন
  • 📌 ক্লাসরুমে ঘটনাটি ঘটলে ছাত্ররা হাসিতে ফেটে পড়ে, কেউ কেউ বেঞ্চের নিচে গড়াগড়ি খায়
  • 📌 মোবারকের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছিল তিনি যেন ‘স্বয়ং যমদূতের সাথে বিশেষ মিটিংয়ে ব্যস্ত’
  • 📌 ঘটনার পর পিয়ন কালু মিয়া জানান, বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার জন্য তিনি এনজিওতে লোনের আবেদন করেছেন

📰 বিস্তারিত

বিদ্যুৎ অফিস থেকে আসা দুই হাজার পঁচাত্তর টাকার বিল দেখে মোবারকের অবস্থা এমনই খারাপ হয়ে যায় যে তিনি ক্লাসরুমেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তার বর্ণনা অনুযায়ী, পুরো এলাকায় লোডশেডিং চলছিল, আর সেই সময় বিলের কাগজটি তার কাছে ‘জ্যান্ত একটা ভূত’ বলে মনে হয়। তিনি চিৎকার করে বলেন, ‘বিলের কাগজটা আমারে গিলে খাইতে আসছে।’

ক্লাসরুমে ঘটনাটি ঘটলে ছাত্ররা রাবেয়ার বর্ণনা শুনে হাসিতে ফেটে পড়ে। কেউ কেউ পেট ব্যথায় বেঞ্চের নিচে গড়াগড়ি খায়। টিচার দ্রুত মোবারকের কাছে ছুটে গিয়ে দেখেন, তার পুরো শরীর ঘেমে একাকার। কয়েকজন ছাত্র তাকে ঘিরে ধরে খাতা দিয়ে বাতাস করছিল। রাবেয়া তখন একবালতি ময়লা পানি এনে মোবারকের মাথায় ঢেলে দেন।

মোবারক চোখ খোলার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু তার চোখ সম্পূর্ণ সাদা হয়ে গিয়েছিল। টিচার তাকে ধমক দিয়ে বলেন, ‘উঠে বসো মোবারক! ভূত তো দূরের কথা, বিদ্যুৎ অফিস তোমারে আস্ত রাখবে না, যদি তুমি বিল পরিশোধ না করো।’

‘স্যার... বিলের কাগজটা আমারে গিলে খাইতে আসছে... সারা মাস লোডশেডিং, কারেন্ট নাই, ফ্যান চলে না, ভুতুড়ে বিলের কাগজের সরকারি লোগোটা হাঁ কইরা আমারে গিলে খাইতে আসছে... আমারে বাঁচান!’

ঘটনার পর পিয়ন কালু মিয়া জানান, তিনি বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার জন্য এনজিওতে লোনের আবেদন করেছেন। আগামী মাস থেকে প্রিপেইড মিটার লাগানো হবে বলেও তিনি জানান। এ কথা শুনে মোবারক আবার জ্ঞান হারান। একজন ছাত্র তখন মন্তব্য করেন, ‘এবার তার নিজেরই লোডশেডিং শুরু হয়ে গেছে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: স্কুল ক্লাসরুম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোবারক (বিদ্যুৎ অফিসের পিয়ন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই হাজার পঁচাত্তর টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖