📌 জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এখন থেকে মাঠ পর্যায়েই নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে এই সংশোধন করা যাবে বলে জানানো হয়েছে
ঢাকা: জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এখন থেকে মাঠ পর্যায়েই নিষ্পত্তির নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ইসির এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশনস) মো. সাইফুল স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন মাঠ পর্যায়েই নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত ইসির
- 📌 এসএসসি, জেএসসি বা পিএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষমতা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে
- 📌 ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত আবেদনগুলো উপজেলা, থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ও এনআইডি উইংয়ের কর্মকর্তারা নিষ্পত্তি করবেন
- 📌 উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ দিয়ে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন মহাপরিচালক পর্যায়েই নিষ্পত্তি হবে
- 📌 একই তথ্য দ্বিতীয়বার সংশোধনের কোনো সুযোগ থাকবে না
📰 বিস্তারিত
নির্বাচন কমিশন জানায়, এতদিন এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন কেন্দ্র থেকে সমাধান করা হতো। তবে এখন থেকে অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ওপর ভিত্তি করে মাঠ পর্যায় থেকেই এই সংশোধনের কাজ করা যাবে। গত ২১ জুলাই কমিশন সভা শেষে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এই তথ্য জানান।
নতুন পরিপত্র অনুযায়ী, অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদনগুলো ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে। এগুলো মাঠপর্যায়ের উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক ও পরিচালকরা নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা পাবেন। তবে শিক্ষা সনদের সাথে অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি বা দলিলাদি গ্রহণের সময় বিদ্যমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করতে হবে।
প্রতিটি আবেদনের ইলেকট্রনিক অনুমোদন বা বাতিলের ক্ষেত্রে কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (CMS) আবশ্যিকভাবে নোট দিতে হবে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাজ মনিটরিং করবেন আঞ্চলিক ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা। তারা প্রতি মাসে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতিটি নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার অন্তত তিনটি আবেদনের সঠিকতা যাচাই করে নির্ধারিত ছকে প্রতিবেদন তৈরি করবেন এবং পরিচালক (অপারেশনস)-এর ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে জমা দেবেন।
পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ দিয়ে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এবং জন্মতারিখের পাশাপাশি নিজ নাম ও পিতা-মাতার নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদনগুলো কেবল মহাপরিচালক পর্যায়ে নিষ্পত্তি হবে। তবে জন্মতারিখ, নিজ নাম এবং পিতা-মাতার নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একই তথ্য দ্বিতীয়বার সংশোধন করার কোনো সুযোগ থাকবে না।
"এতদিন এনআইডির জন্ম তারিখ সংশোধনের বিষয়টি কেন্দ্র থেকে সমাধান করা হতো, তবে এখন থেকে এসএসসি, জেএসসি কিংবা পিএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে মাঠ পর্যায় থেকেই এই সংশোধনের কাজ করা যাবে এবং সেই ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাইফুল, আখতার আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!