📌 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ এখন দুর্যোগ মোকাবেলায় বিশ্বের অন্যতম সক্ষম দেশ। জাইকার অর্থায়নে ১২টি উপকূলীয় জেলায় স্পিডবোট সরবরাহ করা হয়েছে এবং ভূমিকম্প প্রস্তুতির জন্য এক লাখ স্বেচ্ছাসেবকের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সক্ষমতা পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অন্যতম সক্ষম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম সক্ষম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে
- 📌 জাইকার অর্থায়নে ১২টি উপকূলীয় জেলায় স্পিডবোট সরবরাহ করা হয়েছে
- 📌 পর্যায়ক্রমে আরো ২৫টি জেলায় উদ্ধারযান সরবরাহ করা হবে
- 📌 ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় এক লাখ স্বেচ্ছাসেবকের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে
- 📌 ঢাকা মহানগরে দুর্যোগকালীন জমায়েতের জন্য ৪৪৫টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘দুর্যোগকালীন উদ্ধার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাইকার অর্থায়নে দেশের ১২টি উপকূলীয় জেলায় আধুনিক স্পিডবোট দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরো ২৫টি জেলায় এসব উদ্ধারযান সরবরাহ করা হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ডাবল ইঞ্জিনবিশিষ্ট স্পিডবোটগুলো সমুদ্রে চার নম্বর বিপদ সংকেত চলাকালেও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম। সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামে অতিবৃষ্টির কারণে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হলেও জাইকার অর্থায়নে পাওয়া স্পিডবোটের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক উদ্ধার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তিনি জানান। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের শুকনা ও রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হয়েছে এবং অধিকাংশ মানুষ ইতোমধ্যে নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ভূমিকম্প প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘সিলেট, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’ তিনি জানান, এক লাখ স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে প্রায় ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ইতোমধ্যে চিহ্নিত করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে, যাদের শিগগিরই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
ঢাকা মহানগরে বড় ধরনের দুর্যোগ হলে লোকজনকে জমায়েত করার জন্য ৪৪৫টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান। এছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল ও হেলিকপ্টারের তালিকাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
‘১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাসে প্রায় ১০ লাখ এবং ১৯৯১ সালে প্রায় এক লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করেছিল। কিন্তু এখন সক্ষমতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকখানি কমে গেছে। বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা, তাই আমাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসাদুল হাবিব দুলু এমপি (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২টি জেলায় স্পিডবোট সরবরাহ, আরো ২৫টি জেলায় সরবরাহের পরিকল্পনা, ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষণের জন্য প্রস্তুত, ৪৪৫টি স্থান নির্ধারণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!