📌 সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থানা ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। ভবনের দেয়াল ও ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় পুলিশ সদস্য ও সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। দ্রুত সংস্কারের দাবি উঠেছে
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থানা ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। প্রায় চার দশক পুরোনো এই ভবনটির বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। দেয়াল ও ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। কাঠামোগত অবস্থাও নাজুক হয়ে পড়েছে। ফলে থানা ভবনটি দিন দিন বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কামারখন্দ থানা ভবনের বয়স প্রায় চার দশক। নির্মাণকাল ১৯৮০ সাল।
- 📌 ভবনের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। দেয়াল ও ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে।
- 📌 থানায় কর্মরত ৫৫ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে মাত্র ৩০ জনের আবাসন সুবিধা রয়েছে।
- 📌 থানায় দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্য ও সাধারণ মানুষ উভয়েই ভবনের বিপজ্জনক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
- 📌 স্থানীয়দের দাবি, ভবনটির সার্বিক কাঠামোগত সক্ষমতা পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে।
📰 বিস্তারিত
কামারখন্দ থানা ভবনের বর্তমান অবস্থা দেখে যে কেউই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠতে পারেন। প্রায় চার দশক আগে নির্মিত এই ভবনটির বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। দেয়াল ও ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। কোথাও কোথাও ভবনের কাঠামোগত অবস্থাও নাজুক হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিনই দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলছে দাফতরিক কার্যক্রম। স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কামারখন্দ থানার ভবনের বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হয় এটি যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।’
স্থানীয়রা জানান, থানার ভবনটি শুধু পুলিশের অফিস নয়, এটি সাধারণ মানুষের আইনি সেবা পাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ থানায় আসেন। তাই ভবনটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যাবে বলে মনে করেন তারা। স্থানীয় আরেক বাসিন্দা মো. শফিকুর রহমান বলেন, ‘থানার ভবনের অবস্থা বাইরে থেকে দেখলেই বোঝা যায়, এটি অনেক পুরোনো। দেয়াল ও ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। আমরা সাধারণ মানুষ থানায় সেবা নিতে এসে আতঙ্কে থাকি।’
থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যরাও ভবনের বিপজ্জনক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন। একজন পুলিশ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ভবনটি অনেক পুরোনো। বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ও পলেস্তারা খসে পড়ার সমস্যা রয়েছে। আমরা ঝুঁকির বিষয়টি বুঝতে পারি। দ্রুত মেরামত বা প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হলে আমাদের কাজের পরিবেশ অনেক নিরাপদ হবে।’
‘পুলিশ আমাদের নিরাপত্তা দেয়। কিন্তু তাদের নিজেদের কর্মস্থল যদি ঝুঁকিপূর্ণ থাকে, তাহলে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।’ — স্থানীয় বাসিন্দা মো. শফিকুর রহমান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফুল ইসলাম, মো. শফিকুর রহমান, পুলিশ সদস্যরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ জন পুলিশ সদস্য, ৩০ জনের আবাসন সুবিধা, প্রায় ১ লাখ ৫৪ হাজার মানুষের সেবা প্রদান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!