📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চলমান বার্ষিক সামরিক মহড়া 'উলচি ফ্রিডম শিল্ড' মাঝপথেই স্থগিত করা হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার প্রতি 'অনুপযুক্ত ও শত্রুতামূলক' অভিহিত করা মহড়াটি ব্যয়বহুল বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া 'উলচি ফ্রিডম শিল্ড' হঠাৎ করেই মাঝপথে স্থগিত করা হয়েছে। কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পেন্টাগনকে এই মহড়া 'উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার' নির্দেশ দেন। এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার ১৮ হাজার সেনা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের আরও ১১টি মিত্র দেশের সৈন্যদের অংশগ্রহণে পরিচালিত মহড়াটি বন্ধ হয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মহড়াটিকে উত্তর কোরিয়ার প্রতি 'অনুপযুক্ত ও শত্রুতামূলক' বলে অভিহিত করেন
- 📌 ট্রাম্পের নির্দেশে মহড়াটি ব্যয়বহুল বলে উল্লেখ করা হয়
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্তকে পারস্পরিক সমঝোতার ফল হিসেবে তুলে ধরেন
- 📌 মহড়া কমিয়ে আনার বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা আগে থেকে জানতেন না
- 📌 ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ব্যয়ের জন্য যথেষ্ট অর্থ প্রদান করে না
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া 'উলচি ফ্রিডম শিল্ড' হঠাৎ করেই মাঝপথে স্থগিত করা হয়েছে। কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পেন্টাগনকে এই মহড়া 'উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার' নির্দেশ দেন। এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার ১৮ হাজার সেনা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের আরও ১১টি মিত্র দেশের সৈন্যদের অংশগ্রহণে পরিচালিত মহড়াটি বন্ধ হয়ে যায়।
ট্রাম্প মহড়াটিকে উত্তর কোরিয়ার প্রতি 'অনুপযুক্ত ও শত্রুতামূলক' বলে অভিহিত করেন এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ব্যয়বহুল বলে উল্লেখ করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্তটিকে পারস্পরিক সমঝোতার ফল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, মহড়া কমিয়ে আনার বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা আগে থেকে জানতেন না।
এই পদক্ষেপে উদ্বেগ দেখা দিতে পারে তাইওয়ান ও জাপানের মতো দেশেও। অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার ওপর দেশ দুটি দীর্ঘদিন ধরে নির্ভর করে আসছে। এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানোর জন্যও দক্ষিণ কোরিয়ার সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, এ বছরের শেষের দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং আনের সঙ্গে তার বৈঠক হতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই কূটনৈতিক উপায়ে কিমের সঙ্গে ট্রাম্পের যোগাযোগকে স্বাগত জানিয়ে আসছে। তবে এর বিনিময়ে অর্থ ও ইরানে সামরিক সহায়তার দাবি আসুক—এটা তারা চাইত না।
"পুরোপুরি একমত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ কোরিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, চো হিউন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ হাজার সেনা, ১১টি মিত্র দেশ, ২৭ হাজার মার্কিন সেনা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!