📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বৃষ্টির ক্ষতি আর ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে যশোরে কৃষকের সবজির ন্যায্যমূল্য মিলছে না

বৃষ্টির ক্ষতি আর ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে যশোরে কৃষকের সবজির ন্যায্যমূল্য মিলছে না

📷 ছবি: Somoy News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 সময় নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যশোরের চুড়ামনকাটি পাইকারি বাজারে সবজির জোগান কমলেও কৃষকরা পাচ্ছেন না ন্যায্যমূল্য। টানা বৃষ্টিতে ক্ষেত নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত। ব্যবসায়ীদের কারসাজির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় কৃষকরা

যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি পাইকারি সবজি বাজারে প্রতিদিন ভোরে নিজেদের উৎপাদিত সবজি বিক্রি করতে আসেন কৃষকরা। ভরা মৌসুম হওয়া সত্ত্বেও এবার সবজির জোগান উল্লেখযোগ্যভাবে কম। কৃষকদের অভিযোগ, টানা বৃষ্টির কারণে ক্ষেত নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন কমেছে। তারপরও বাজারে আসা সবজির ন্যায্যমূল্য তারা পাচ্ছেন না। কঠোর পরিশ্রম করে উৎপাদিত সবজি নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে বলে জানান তারা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি পাইকারি সবজি বাজারে সবজির জোগান কমেছে
  • 📌 টানা বৃষ্টির কারণে ক্ষেত নষ্ট ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে
  • 📌 কৃষকরা উৎপাদিত সবজি নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন
  • 📌 পেঁপে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০ টাকা, উচ্ছে ১৮ টাকা ও ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা দরে
  • 📌 ব্যবসায়ীদের কারসাজির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় কৃষকরা

📰 বিস্তারিত

যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি পাইকারি সবজি বাজারে প্রতিদিন ভোরে নিজেদের উৎপাদিত সবজি বিক্রি করতে আসেন কৃষকরা। ভরা মৌসুম হওয়া সত্ত্বেও এবার সবজির জোগান উল্লেখযোগ্যভাবে কম। কৃষকদের অভিযোগ, টানা বৃষ্টির কারণে ক্ষেত নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। তারপরও বাজারে আসা সবজির ন্যায্যমূল্য তারা পাচ্ছেন না। কঠোর পরিশ্রম করে উৎপাদিত সবজি নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে বলে জানান তারা।

এনায়েতপুর গ্রামের আবদুর রাজ্জাক, আবদুলপুরের আমিন উদ্দিন ও নূরপুর গ্রামের আবদুল লতিফসহ বেশ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাজারে প্রতি কেজি পেঁপে ১০ টাকা, উচ্ছে ১৮ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, কলা ২৫ টাকা, করলা ৪৪ টাকা এবং পটল ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পুঁইশাক ১৩ টাকা, ধনেপাতা ৫০ টাকা, টমেটো ৯০ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ টাকা, ধুন্দুল ৩৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা, লালশাক ২০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা, বরবটি ৩০ টাকা ও মুখিকচু ৩২ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। লাউ প্রতি পিস ৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে শহরের দুই পাইকার আবদুল কাদের ও সজল জানান, বাজারে সবজির চাহিদা কম। সাধারণ মানুষের আয়ের চেয়ে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা আগের মতো সবজি কিনছেন না। ফলে তারা কিনে নিয়ে বিক্রি করতে পারছেন না। এ কারণে তারা এবং কৃষক উভয়েই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

"টানা বৃষ্টির কারণে ক্ষেত নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। তারপরও বাজারে আসা সবজির ন্যায্যমূল্য পাচ্ছি না। নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে, যা দিয়ে উৎপাদন খরচ তোলাও অসম্ভব হয়ে পড়ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যশোর সদর উপজেলা, চুড়ামনকাটি পাইকারি সবজি বাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুর রাজ্জাক, আমিন উদ্দিন, আবদুল লতিফ, আবদুল কাদের, সজল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ আগস্ট, পেঁপে ১০ টাকা, উচ্ছে ১৮ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖