📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর দুটি মাইলস্টোন প্যাকেজে ভারতের এলঅ্যান্ডটি: ৫ হাজার কোটি রুপি চুক্তি

ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর দুটি মাইলস্টোন প্যাকেজে ভারতের এলঅ্যান্ডটি: ৫ হাজার কোটি রুপি চুক্তি

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ প্যাকেজের চুক্তি পেয়েছে ভারতের এলঅ্যান্ডটি। রেললাইন থেকে স্ক্রিন ডোর স্থাপন পর্যন্ত কাজের জন্য ৫ হাজার কোটি রুপি মূল্যের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। জাপানের সহায়তায় বাস্তবায়িত এই ৩১ কিলোমিটার প্রকল্পে ১৯টি স্টেশন নির্মিত হবে।

ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ প্যাকেজের চুক্তি পেয়েছে ভারতের প্রখ্যাত অবকাঠামো নির্মাণ প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। এই চুক্তির আওতায় রেললাইন স্থাপন থেকে প্ল্যাটফর্মের স্ক্রিন ডোর স্থাপন পর্যন্ত কাজের দায়িত্ব পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। চুক্তির মোট মূল্য ৫ হাজার কোটি ভারতীয় রুপি ছাড়িয়ে গেছে, যা বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্ককে আরো জোরদার করার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুটি প্যাকেজের চুক্তি: এলঅ্যান্ডটি পেয়েছে মেট্রোরেল লাইন-১-এর সিপি০৯ ও সিপি১০ প্যাকেজ। সিপি০৯-এ রেললাইন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বৈদ্যুতিক স্থাপনা; সিপি১০-এ সংকেতব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ ও স্ক্রিন ডোর স্থাপন করবে প্রতিষ্ঠানটি।
  • 📌 জাপানি অংশীদারিত্ব: সিপি০৯ প্যাকেজে জাপানের সুমিতোমো করপোরেশন এলঅ্যান্ডটির সাথে অংশীদার হবে।
  • 📌 ৫ হাজার কোটি রুপি মূল্য: দুটি চুক্তির সম্মিলিত মূল্য ৫ হাজার কোটি ভারতীয় রুপি ছাড়িয়ে গেছে।
  • 📌 প্রকল্পের বিস্তার: ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন-১-এর দুটি রুট — কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর ও নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত। প্রকল্পে ১৯টি স্টেশন ও পিতলগঞ্জে একটি ডিপো থাকবে।
  • 📌 এলঅ্যান্ডটির অভিজ্ঞতা: প্রতিষ্ঠানটি আগে মেট্রোরেল লাইন-৬-এর বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করে। বর্তমানে লাইন-৬ বাণিজ্যিকভাবে চালু রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ভারতের এলঅ্যান্ডটির সাথে। এই চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) থেকে আবারও কাজ পেয়েছে। এলঅ্যান্ডটির পরিবহন অবকাঠামো বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান রামকুমার এস বলেছেন, এই কাজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা আরো প্রমাণিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নতুন প্রকল্পেও সমন্বিতভাবে কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে এই ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রোরেল প্রকল্প। প্রকল্পের দুটি রুট রয়েছে — একটি কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত, অন্যটি নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত। প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এতে ১৯টি স্টেশন ও পিতলগঞ্জে একটি ডিপো থাকবে।

এলঅ্যান্ডটি আগে মেট্রোরেল লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলব্যবস্থা স্থাপনের কাজও পেয়েছিল। বর্তমানে লাইন-৬ বাণিজ্যিকভাবে চালু রয়েছে। সরকারের উদ্যোগে রাজধানীতে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে মোট তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মোট ব্যয়ের পরিকল্পনা প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।

"ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে আবারও কাজের চুক্তি পাওয়া বড় ও সমন্বিত নগর পরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে এলঅ্যান্ডটির সক্ষমতার প্রতিফলন।" — রামকুমার এস, এলঅ্যান্ডটির পরিবহন অবকাঠামো বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (কমলাপুর, বিমানবন্দর, নতুন বাজার, পূর্বাচল টার্মিনাল, পিতলগঞ্জ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রামকুমার এস (এলঅ্যান্ডটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার কোটি (চুক্তির মূল্য), ৩১ কিলোমিটার (মেট্রোরেল লাইন-১-এর দৈর্ঘ্য), ১৯টি (স্টেশন), ৬ (মেট্রোরেল লাইন-৬-এর বাণিজ্যিক চালু অবস্থা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖