📌 ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পে লাইন-১ ও লাইন-৫ (উত্তর) নির্মাণের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। ২১+ স্টেশন ও ৫১ কিলোমিটার রেলপথের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। সরকার-জাপান যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পের মোট খরচ দুই লাখ কোটি টাকা
ঢাকার মেট্রোরেল নেটওয়ার্কে নতুন দুই লাইন নির্মাণের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এমআরটি লাইন-১ এবং হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর)-এর জন্য ৮টি উড়াল স্টেশন ও ১১ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই প্রকল্পে চারটি প্যাকেজের আওতায় মোট ২১টি স্টেশন ও ৫১ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর): ২১টি স্টেশন, ৩১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য, খরচ ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা
- 📌 এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) (হেমায়েতপুর-ভাটারা): ১৪টি স্টেশন, ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য, খরচ ৮৯ হাজার কোটি টাকা
- 📌 চারটি প্যাকেজে ৮টি উড়াল স্টেশন ও ১১ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরিত
- 📌 প্রকল্পে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়ন
- 📌 নির্মাণ কাজ ২০৩৩ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার পরিকল্পনা
- 📌 সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি
- 📌 চুক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (ভারপ্রাপ্ত সচিব) কবির আহমদ
📰 বিস্তারিত
আজ মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ির মেট্রোরেল ভবনে চারটি প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এমআরটি লাইন-১-এর জন্য চীনের সিনোহাইড্রো ও এসইবিসিএল, জাপানের এমআইএল এবং এমআরটি লাইন-৫-এর জন্য তাইওয়ানের সিপিসি ও দক্ষিণ কোরিয়ার হানিলসহ বিভিন্ন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই প্রকল্পে এমআরটি লাইন-১-এর ডিপো নির্মাণের জন্য ওয়ার্কশপ, স্ট্যাবলিং শেড ও অপারেশন ম্যানেজমেন্ট সেন্টারসহ মোট ৪৯টি অবকাঠামো নির্মাণের চুক্তি হয়েছে। অন্যদিকে, লাইন-৫-এর জন্য প্রশাসনিক ভবন, স্ট্যাবলিং ইয়ার্ড, গুদাম ও ওয়ার্কশপ শেডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের চুক্তি করা হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, “রাজধানীর যানজট নিরসন ও যাতায়াতের সময় কমানো সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এজন্য আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।”
"রাজধানীর যানজট নিরসন ও যাতায়াতের সময় কমানো সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এজন্য আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (উত্তরা দিয়াবাড়ি, মেট্রোরেল ভবন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (ভারপ্রাপ্ত সচিব) কবির আহমদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ কোটি টাকা (মোট খরচ), ৩১ কিলোমিটার (লাইন-১ দৈর্ঘ্য), ২০ কিলোমিটার (লাইন-৫ দৈর্ঘ্য), ২১টি স্টেশন (লাইন-১), ১৪টি স্টেশন (লাইন-৫)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!