📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মরুভূমির সংজ্ঞা কেবল বালু নয়, নির্ধারণ করে বৃষ্টির পরিমাণ

মরুভূমির সংজ্ঞা কেবল বালু নয়, নির্ধারণ করে বৃষ্টির পরিমাণ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পৃথিবীর বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি সাহারা থেকে শুরু করে শীতলতম অ্যান্টার্কটিকা পর্যন্ত বিস্তৃত। এসব অঞ্চলের সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো অত্যন্ত কম বৃষ্টিপাত, যা জীববৈচিত্র্যকে প্রভাবিত করে

পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত মরুভূমিগুলোর মধ্যে সাহারা অন্যতম, যেখানে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। সাহারার আয়তন ৯.৪ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যা এটিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমিতে পরিণত করেছে। তবে মরুভূমির সংজ্ঞা নির্ধারণে বালুর উপস্থিতি নয়, বরং বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ। বছরে সাধারণত ২৫ সেন্টিমিটারের কম বৃষ্টিপাত হলে সেই অঞ্চলকে মরুভূমি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাহারা মরুভূমির আয়তন ৯.৪ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যা বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি
  • 📌 সাহারায় গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে
  • 📌 অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি, যার আয়তন ১৪.২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার
  • 📌 অ্যান্টার্কটিকার তাপমাত্রা -৮৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে
  • 📌 মরুভূমির সংজ্ঞা নির্ধারণে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ (২৫ সেন্টিমিটারের কম) গুরুত্বপূর্ণ

📰 বিস্তারিত

মরুভূমি বলতে সাধারণত শুষ্ক ও উষ্ণ অঞ্চলকেই বোঝানো হয়, যেখানে বালিয়াড়ির উপস্থিতি প্রকট। তবে বৈজ্ঞানিকভাবে মরুভূমির সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণের ভিত্তিতে। সাহারা মরুভূমির মতো উষ্ণ অঞ্চলের পাশাপাশি অ্যান্টার্কটিকার মতো শীতল অঞ্চলও মরুভূমির অন্তর্ভুক্ত। সাহারার বিস্তৃতি উত্তর আফ্রিকা জুড়ে, যেখানে মিসরের কায়রো, লিবিয়ার ত্রিপোলি এবং মালির তিমবুকতুর মতো বড় শহরগুলো অবস্থিত। সাহারায় বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী যেমন অ্যান্টিলোপ, জেরবোয়া এবং বিচ্ছুর দেখা মেলে।

অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি হলেও এটি সম্পূর্ণ বরফে আবৃত। এখানকার তাপমাত্রা -৮৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যা এটিকে বিশ্বের শীতলতম মরুভূমিতে পরিণত করেছে। অ্যান্টার্কটিকার বরফের পুরুত্ব গড়ে ৩.৫ কিলোমিটার, এবং এখানে কোনো স্থানীয় মানববসতি নেই। তবে বিভিন্ন দেশের গবেষণা কেন্দ্র এখানে অবস্থিত, যেখানে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা পরিচালনা করছেন।

গোবি মরুভূমি উত্তর চীন ও দক্ষিণ মঙ্গোলিয়ার হিমালয়ের বৃষ্টিচ্ছায়া অঞ্চলে অবস্থিত। এটি মূলত পলিস্তরযুক্ত শিলা দিয়ে গঠিত এবং এখানে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টিপাত হয়। গোবির ভূদৃশ্য বালুকাময় নয়, বরং ঘাসযুক্ত স্তেপ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। জীবাশ্মের প্রমাণাদি থেকে জানা যায় যে অতীতে সাহারা, অ্যান্টার্কটিকা এবং গোবি অঞ্চলগুলো বহু উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল ছিল।

"মরুভূমির সংজ্ঞা নির্ধারণে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণই প্রধান ভূমিকা পালন করে, যেখানে ২৫ সেন্টিমিটারের কম বৃষ্টিপাত হলে সেই অঞ্চলকে মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাহারা (উত্তর আফ্রিকা), অ্যান্টার্কটিকা, গোবি (উত্তর চীন ও দক্ষিণ মঙ্গোলিয়া)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞানীরা ও গবেষকরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাহারা আয়তন ৯.৪ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, অ্যান্টার্কটিকা আয়তন ১৪.২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, সাহারার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, অ্যান্টার্কটিকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা -৮৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖