📌 বাগেরহাটের ফকিরহাটে উদ্যোক্তা হাওলাদার মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে খেজুরবীজ থেকে সুগন্ধি কফি উৎপাদনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় বাজারে ইতোমধ্যে বিক্রি শুরু হওয়া এই পণ্য উৎপাদনে নিয়োজিত রয়েছেন পাঁচজন শ্রমিক
বাগেরহাটের ফকিরহাটে খেজুরবীজ থেকে সুগন্ধি কফি উৎপাদনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন উদ্যোক্তা হাওলাদার মোহাম্মদ আলী। ইউটিউবে খেজুরবীজ দিয়ে কফি তৈরির ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি নিজ উদ্যোগে দীর্ঘদিন গবেষণা চালিয়ে উৎপাদন শুরু করেন। স্থানীয় বাজারে ইতোমধ্যে তার তৈরি খেজুরবীজের কফি বেশ সাড়া ফেলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খেজুরবীজ থেকে সুগন্ধি কফি উৎপাদনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন উদ্যোক্তা হাওলাদার মোহাম্মদ আলী
- 📌 ইউটিউবে খেজুরবীজ দিয়ে কফি তৈরির ভিডিও দেখে উদ্যোগ গ্রহণ
- 📌 প্রায় ২৫ হাজার টাকা বিনিয়োগে ক্ষুদ্র পরিসরে উৎপাদন শুরু
- 📌 উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কোনো রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয় না
- 📌 এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার টাকার কফি বিক্রি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
খেজুর খাওয়ার পর যে বীজ ফেলে দেওয়া হতো, সেই বীজ থেকেই সুগন্ধি কফি উৎপাদনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন বাগেরহাটের ফকিরহাটের উদ্যোক্তা হাওলাদার মোহাম্মদ আলী। ইউটিউবে খেজুরবীজ দিয়ে কফি তৈরির একটি ভিডিও দেখে তার মাথায় এ ধারণা আসে। এরপর নিজ উদ্যোগে দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে তিনি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করেন। তিনি জানান, বাগেরহাট জেলায় তিনিই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে খেজুরবীজের কফি উৎপাদন করছেন।
প্রায় ২৫ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ক্ষুদ্র পরিসরে উৎপাদন শুরু করেন উদ্যোক্তা আলী। তার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে পাঁচজন শ্রমিক কাজ করছেন। তারা প্রতিদিন খেজুরের বীজ সংগ্রহ, পরিষ্কার, শুকানো, ভাজা, গুঁড়া করা ও প্যাকেটজাতকরণের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।
কফি তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, খেজুরের মৌসুমে কাঁদি কিনে বীজ সংগ্রহ করা হয়। পরে বীজ পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার করে খোসা ছাড়িয়ে রোদে শুকানো হয়। এরপর বালির সঙ্গে কড়াইয়ে নির্দিষ্ট সময় ভেজে মেশিনে গুঁড়া করা হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয় না।
এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার টাকার কফি বিক্রি হয়েছে বলে জানান উদ্যোক্তা আলী। প্রতিদিনই নতুন নতুন ক্রেতা আসছেন। ভবিষ্যতে অনলাইনের মাধ্যমে দেশব্যাপী এবং বিদেশেও এই পণ্য বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
"প্রথমে বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও কফি পান করার পর এর স্বাদ ও ঘ্রাণে মুগ্ধ হয়েছি। এলাকার অনেক মানুষই এখন আগ্রহ নিয়ে এটি কিনছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফকিরহাট, বাগেরহাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাওলাদার মোহাম্মদ আলী
- 🔢 বিনিয়োগের পরিমাণ: ২৫ হাজার টাকা
- 🔢 বিক্রিত কফির পরিমাণ: প্রায় ২০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!