📌 পাকিস্তানি শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বঙ্গবন্ধুর অবদান স্বীকারের পাশাপাশি স্বাধীনতা-পরবর্তী তাঁর শাসনামলের নির্মোহ মূল্যায়ন জরুরি বলে মত দিয়েছেন সিপিবি নেতারা। তাঁরা ইতিহাসকে দলীয় রাজনৈতিক সম্পত্তিতে পরিণত না করার আহ্বান জানান
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নেতারা বলেছেন, পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণের অবসান ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান স্বীকারের পাশাপাশি স্বাধীনতা-পরবর্তী তাঁর শাসনামলের নির্মোহ ও ঐতিহাসিক মূল্যায়ন জরুরি। তাঁরা আরও বলেন, ইতিহাসকে কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক সম্পত্তিতে পরিণত করা যাবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার ৫১তম বার্ষিকী উপলক্ষে সিপিবির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- 📌 সিপিবি নেতারা বঙ্গবন্ধুর অবদান স্বীকারের পাশাপাশি তাঁর শাসনামলের নির্মোহ মূল্যায়নের দাবি জানান
- 📌 আলোচনা সভায় অংশ নেন সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন প্রমুখ
- 📌 সিপিবি নেতারা বলেন, স্বাধীনতার পর গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি
📰 বিস্তারিত
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার ৫১তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর পুরানা পল্টনের মৈত্রী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সিপিবি নেতারা বঙ্গবন্ধুর অবদান ও তাঁর শাসনামলের নির্মোহ মূল্যায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সভাপতিত্ব করেন সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন।
সভায় বক্তব্য রাখেন দলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক এম এম আকাশ, দিবালোক সিংহ ও মঞ্জুর মঈন। তাঁরা বলেন, ইতিহাসকে দলীয় রাজনৈতিক বয়ানের বাইরে রেখে বঙ্গবন্ধুর জাতীয় মুক্তিসংগ্রামে ঐতিহাসিক ভূমিকা স্বীকার করতে হবে। একই সঙ্গে স্বাধীনতার পর তাঁর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্র পরিচালনার ঘটনাগুলোর সত্যনিষ্ঠ মূল্যায়নও জরুরি।
সিপিবি নেতারা উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনৈতিক রূপান্তর, প্রশাসনিক দুর্বলতা, অর্থনৈতিক সংকট, দুর্নীতি ও জনজীবনের নানা সমস্যার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাধীনতাপূর্ব সময়ের সেই মোহ ক্রমশ ক্ষয় হতে থাকে। তাঁরা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর যে গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থার আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন ও গণতান্ত্রিক অধিকার সংকোচনের প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
"ইতিহাসকে কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক সম্পত্তিতে পরিণত করা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর জাতীয় মুক্তিসংগ্রামে ঐতিহাসিক ভূমিকা অস্বীকার না করেই তাঁর অবদান স্বীকার করতে হবে, সেই সঙ্গে স্বাধীনতার পর তাঁর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্র পরিচালনার ঘটনাগুলোর নির্মোহ মূল্যায়ন জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পুরানা পল্টন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, মোহাম্মদ শাহ আলম, আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, এম এম আকাশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!