📌 রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজারের একটি হোটেলে গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছেন। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হোটেল মালিক
রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজারের একটি হোটেলে গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রচারের পর উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার হোটেলটি পরিদর্শন করে কাঁচা ও রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে নওহাটার একটি হোটেলে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে
- 📌 উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছেন
- 📌 অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হোটেল মালিক মো. ফয়সাল; তিনি দাবি করেছেন, এটি একটি গুজব
- 📌 পরীক্ষার ফলাফল পেতে চার থেকে সাত দিন সময় লাগতে পারে
- 📌 অভিযোগটি খতিয়ে দেখছে পবা থানা
📰 বিস্তারিত
রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজারের ফয়সাল ভাজা মাংস ও কালাভুনা হোটেলে গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার হোটেলটি পরিদর্শন করেন। তাঁরা কাঁচা ও রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার সেন্ট্রাল ডিজিজ ইনভেস্টিগেশন ল্যাবরেটরিতে (সিডিআইএল) পাঠান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইবনুল আবেদীন জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তাঁরা হোটেলটি পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর অভিযোগের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন সোহরাব খান জানান, নমুনাগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষায় মাংস গরুর কি না এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো প্রাণীর মাংস মেশানো হয়েছে কি না, তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, সাধারণ ক্ষেত্রে পরীক্ষার ফলাফল পেতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগলেও বিশেষ ক্ষেত্রে এক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
এ ঘটনায় হোটেল মালিক মো. ফয়সাল পবা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে ছড়িয়ে দেওয়া অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব। ফয়সাল বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নওহাটায় গরুর মাংসের ব্যবসা করছেন এবং প্রতিদিন সকালে কসাইয়ের কাছ থেকে গরু জবাইয়ের পর মাংস সংগ্রহ করেন। সেই মাংস দিয়েই হোটেলে কালাভুনা রান্না করা হয়।
ফয়সাল আরও জানান, তাঁর হোটেলে প্রতিদিন অনেক মানুষ খেতে আসেন। গরুর কলিজা সীমিত থাকায় এমদাদ হক নামের একজন গ্রাহককে কলিজা দিতে না পারায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। পরে ওই ব্যক্তি হোটেলের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ ছড়িয়ে দেন। এতে তাঁর ব্যবসা ও দীর্ঘদিনের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মতিন জানান, হোটেল মালিকের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
"আমি দীর্ঘদিন ধরে নওহাটায় গরুর মাংসের ব্যবসা করছি। প্রতিদিন সকালে কসাইয়ের কাছ থেকে গরু জবাইয়ের পর মাংস সংগ্রহ করি। সেই মাংস দিয়েই হোটেলে কালাভুনা রান্না করা হয়। ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউএনও মো. ইবনুল আবেদীন, ভেটেরিনারি সার্জন সোহরাব খান, হোটেল মালিক মো. ফয়সাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ সেকেন্ড (ভিডিওর দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!