📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিনা দরপত্রে সরকারি বাড়ি বিক্রির দুর্নীতির মামলায় অর্থমন্ত্রীসহ সব আসামি খালাস

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
বিনা দরপত্রে সরকারি বাড়ি বিক্রির দুর্নীতির মামলায় অর্থমন্ত্রীসহ সব আসামি খালাস

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রির অভিযোগে দায়ের হওয়া দুর্নীতির মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মামলাগুলোতে মোট ক্ষতির পরিমাণ ছিল ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া ১৫টি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন। মামলাগুলোতে বিনা দরপত্রে সরকারি ১৮টি বাড়ি বিক্রির অভিযোগ ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রির অভিযোগে দায়ের হওয়া ১৫টি মামলায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরুসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত
  • 📌 মামলাগুলোতে সরকারের ক্ষতির পরিমাণ ছিল ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা
  • 📌 বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ২১ জনকে আসামি করা হয়েছিল
  • 📌 আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাগুলোতে ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৫৩ মিনিটে আদালত রায় ঘোষণা করেন। বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান জানান, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আসামি পক্ষের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২০০৭ সালের ২৯ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এসব মামলা দায়ের করে। অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর। তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন অভিযোগ গঠন করেন। মামলাগুলোতে বলা হয়, রাজউক কর্তৃক সাজানো দরপত্রের মাধ্যমে সরকারি বাড়িগুলো নিজ পছন্দের ব্যক্তিদের কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারাসহ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারার অধীনে অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল। মামলাগুলোর বিচার চলাকালে আদালত ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

"অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন।" — বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
  • 🔢 মামলার সংখ্যা: ১৫
  • 🔢 ক্ষতির পরিমাণ: ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা
  • 🔢 আসামির সংখ্যা: ২১

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖