📌 চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে নকশা বহির্ভূত নির্মাণ ও পার্কিং ব্যবস্থা লঙ্ঘনের দায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। তিনটি ভবনের অবৈধ অংশ ভেঙে দেওয়া এবং চারটি ভবন সিলগালা করা হয়েছে
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) অভিযান চালিয়ে নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণ ও পার্কিং ব্যবস্থা লঙ্ঘনের দায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ভবনমালিককে মোট ৪১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। একই সঙ্গে তিনটি ভবনের অবৈধ অংশ ভেঙে দেওয়া এবং চারটি ভবন সিলগালা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উৎসব সুপারমার্কেটকে পার্কিং এলাকায় ব্যবসা পরিচালনার জন্য আট লাখ টাকা জরিমানা ও দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ
- 📌 স্বপ্ন সুপারশপের মালিককে সাত লাখ এবং প্রতিষ্ঠানকে চার লাখ টাকা জরিমানা
- 📌 সেফস লাউঞ্জ নামের রেস্তোরাঁ সিলগালা করা হয়েছে পার্কিং ব্যবস্থা না রাখার কারণে
- 📌 অভিযানে তিনটি ভবনের অবৈধ অংশ ভেঙে দেওয়া এবং চারটি ভবন সিলগালা করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আদালত বৃহস্পতিবার নগরের আগ্রাবাদ অ্যাকসেস রোড ও শান্তিধারা আবাসিক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন সিডিএর স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হামীমুন তানজীন।
অভিযানে উৎসব সুপারমার্কেট ও স্বপ্ন সুপারশপের পার্কিং এলাকায় ব্যবসা পরিচালনার প্রমাণ পাওয়া যায়। উৎসব সুপারমার্কেটকে আট লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ২৭ নভেম্বরের মধ্যে ভবনের নকশাবহির্ভূত অংশ সংশোধনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। স্বপ্ন সুপারশপের মালিককে সাত লাখ এবং প্রতিষ্ঠানকে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সেফস লাউঞ্জ নামের একটি রেস্তোরাঁ কোনো পার্কিং ব্যবস্থা না রেখে ব্যবসা পরিচালনা করায় তা সিলগালা করা হয়েছে। অভিযানে মোট ১১টি ভবনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে তিনটি ভবনের নকশাবহির্ভূত অংশ ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং চারটি ভবন সিলগালা করা হয়েছে। সিলগালা করা চারটি ভবনের একটি রেস্তোরাঁ। অন্য তিনটি ভবনের মধ্যে দুটি তিন তলা ও একটি ১১ তলা। এসব ভবনের বিদ্যুৎ-সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়।
"বড় বড় সুপারশপ গড়ে উঠলেও অনেক ক্ষেত্রে সেখানে কোনো পার্কিং রাখা হয়নি। নগরবাসীকে সিডিএর অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণের আহ্বান জানাচ্ছি। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের সময় যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়, এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করছি।"
সিডিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ইমারত নির্মাণ কমিটি-২-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনজুর হাসান জানান, অবৈধ ও ব্যতিক্রমী নির্মাণ এবং পার্কিংয়ের জায়গায় অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অভিযানে সিডিএর ইমারত নির্মাণ কমিটি-২-এর চেয়ারম্যান ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনজুর হাসান, অথরাইজড অফিসার-২ তানজিব হোসেন, সহকারী অথরাইজড অফিসার, ইমারত পরিদর্শক ও ম্যাজিস্ট্রেট শাখার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আগ্রাবাদ অ্যাকসেস রোড ও শান্তিধারা, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, হামীমুন তানজীন, মোহাম্মদ মনজুর হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ লাখ টাকা, ১১টি ভবন, ৩টি ভবনের অবৈধ অংশ ভেঙে দেওয়া, ৪টি ভবন সিলগালা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!