📌 চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দুই দিন ধরে পড়ে ছিল কিশোর সায়েদ মুনিফ আহমেদ শানের লাশ। পরিবার জানত না কিছু। অপহরণের গুজকে প্রতারণা করে চক্রটি নিয়েছিল ৬০ হাজার টাকা। ঘটনায় চার বন্ধুসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দুই দিন ধরে পড়ে ছিল কিশোর সায়েদ মুনিফ আহমেদ শানের লাশ। অথচ সেই সময় তাঁকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল তাঁর পরিবার। পরিবারের অজান্তেই ঘটনাটি ঘটে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের দেওয়া লাশের ছবি দেখে পরিবার জানতে পারে সত্যটি। নিহত সায়েদ চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের চট্টগ্রাম মডার্ন স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল। তার বয়স ছিল ১৫ বছর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুই দিন ধরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ছিল কিশোর সায়েদ মুনিফ আহমেদ শানের লাশ
- 📌 শনিবার হালিশহরের চুনা ফ্যাক্টরি এলাকার বাসা থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বের হয় সায়েদ
- 📌 পতেঙ্গা সৈকত এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ
- 📌 অপহরণের গুজকে পরিবারের কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা নিয়েছিল একটি চক্র
- 📌 ঘটনায় চার বন্ধুসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে হালিশহর থানা পুলিশ
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার হালিশহরের চুনা ফ্যাক্টরি এলাকার বাসা থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বের হয় সায়েদ মুনিফ আহমেদ শান। সেদিন রাতেই পতেঙ্গা সৈকত এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর শানের মৃত্যুর ঘটনায় হালিশহর থানায় একটি মামলা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পাঁচ বন্ধু মিলে কোচিং শেষে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় গিয়েছিল। সেখানে বন্ধুরা মিলে পানিতে নামে। এ সময় ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে যায় সায়েদ। ভয়ে দুই দিন ধরে এ বিষয়ে কাউকে কিছু জানায়নি তার সহপাঠীরা।
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. পারভেজ বলেন, ‘দুই দিন আগে পতেঙ্গা থানা-পুলিশ অজ্ঞাত এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় লাশের ছবি প্রকাশ করা হয়। উদ্ধারের পর লাশটি হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছিল। পরে গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পর ফেসবুক পেজে ছবি দেখে পরিবার ও হালিশহর থানার পক্ষ থেকে আমাদের ওই কিশোরের পরিচয় জানানো হয়।’
‘দুই দিন আগে পতেঙ্গা থানা-পুলিশ অজ্ঞাত এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় লাশের ছবি প্রকাশ করা হয়।’
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার কোচিংয়ে পরীক্ষা ছিল সায়েদের। তবে কোচিং শেষে বাসায় ফেরেনি সে। সব দিকে খোঁজ নিয়ে তাকে না পেয়ে হালিশহর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরদিন পরিবারের কাছে ফোন করে এক ব্যক্তি বলেন, সায়েদকে অপহরণ করে আটকে রাখা হয়েছে। তাকে ফিরে পেতে টাকা দাবি করা হয়। সায়েদকে পেতে নগরের ষোলশহর এলাকায় আসতে বলেন ওই ব্যক্তি। পরিবার বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ সেখানে যায়। কিন্তু সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে একটি বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে বলা হলে সায়েদের মামার বিকাশ নম্বর থেকে ওই নম্বরে ৬০ হাজার টাকা পাঠানো হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পতেঙ্গা সৈকত এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সায়েদ মুনিফ আহমেদ শান (১৫), মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের ছেলে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!