📌 দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ও আনোয়ারা রুটে গ্যাস সংকটের কারণে গণপরিবহনে ভোগান্তি চরমে। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে চালকদের বিরুদ্ধে। মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালের অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে
দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ও আনোয়ারা রুটে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে গণপরিবহনে ভোগান্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে সিএনজি অটোরিকশা ও বাস চালকদের বিরুদ্ধে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের, ফলে সড়কে যানবাহনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ও আনোয়ারা রুটে গ্যাস সংকটের কারণে গণপরিবহনে ভোগান্তি বৃদ্ধি
- 📌 নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ চালকদের বিরুদ্ধে
- 📌 গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন ও যানবাহনের সংখ্যা হ্রাস
- 📌 মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত
- 📌 চালকদের আয় কমে যাওয়ায় ভাড়া বৃদ্ধির অভিযোগ যাত্রীদের
📰 বিস্তারিত
আজ শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বড়উঠান থেকে মইজ্জ্যেরটেক পর্যন্ত পাঁচটি ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় কর্ণফুলীর তিনটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও এই সারি দেড় থেকে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস না পেয়ে অনেক সিএনজি অটোরিকশা সড়কে নামতে পারছে না। ফলে সড়কে সিএনজি অটোরিকশার সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে বিকল্প গণপরিবহন হিসেবে বাসে যাত্রীদের উপচে পড়া চাপ লক্ষ্য করা গেছে।
যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। তেলচালিত ছোট যানবাহনগুলোতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ কর্মদিনে বাড়ি ফেরা মানুষেরা বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত টাকা গুনে যাতায়াত করছেন।
কর্ণফুলীর শাহ আমানত সেতু এলাকায় আনোয়ারার চাতরী চৌমুহনীর গাড়ির জন্য অপেক্ষারত যাত্রী মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও ঠিকমতো গ্যাস পাচ্ছেন না চালকরা। আর এই সুযোগে চালকরা ৫০ টাকার জায়গায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা চাইছেন। না দিয়েও উপায় নেই, কারণ রাস্তায় গাড়ি কম।’
দুপুরে বড়উঠান এলাকার ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষমাণ সিএনজি অটোরিকশাচালক মোহাম্মদ সোহেল বলেন, ‘সকাল ১০টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। বিকেল তিনটা পর্যন্ত গাড়ি গ্যাস প্যাম্পের সামনে নিতে পারিনি। গ্যাসের চাপ এত কম যে একটি গাড়িতে গ্যাস দিতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি সময় লাগছে। এখন পাম্প বন্ধ। আবার চালু হবে রাত নয়টার পর, এতক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ও আনোয়ারা রুট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ সোহেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-৩০ টাকা, ৫০-১০০ টাকা, দেড় থেকে দুই কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!