📌 চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ধনাগোদা শাখা নদীর ওপর নির্মিত লুধুয়া সেতুটির সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয়দের ভোগান্তি বাড়ছে। বাঁশ-কাঠের মই দিয়ে সেতুতে উঠতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। প্রায় ২৫ হাজার মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার লুধুয়া গ্রামে ধনাগোদা শাখা নদীর ওপর নির্মিত লুধুয়া সেতুটির সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয়দের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় বাঁশ-কাঠের মই দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে সেতুতে উঠতে হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীকে। ফলে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মতলব উত্তর উপজেলার লুধুয়া গ্রামে ধনাগোদা শাখা নদীর ওপর নির্মিত লুধুয়া সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪১ ফুট ও প্রস্থ ২২ ফুট
- 📌 সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয়দের ভোগান্তি বাড়ছে
- 📌 সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা
- 📌 সেতুটির আশপাশের লুধুয়া, নান্দরকান্দি, শাহাবাজকান্দি, ফরিদকান্দিসহ ১০টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
- 📌 স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালে
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, মতলব উত্তর উপজেলার লুধুয়া গ্রামে ধনাগোদা শাখা নদীর ওপর নির্মিত লুধুয়া সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪১ ফুট ও প্রস্থ ২২ ফুট। সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয়দের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। কার্যাদেশ অনুসারে, নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে। তবে গত জানুয়ারিতে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় সেতুটি পড়ে রয়েছে।
গত রোববার সকালে লুধুয়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয়রা বাঁশ-কাঠের মই দিয়ে সেতুতে উঠছেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী-শিক্ষকসহ স্থানীয় লোকজন ভাঙাচোরা মই বেয়ে ঝুঁকি নিয়ে সেতুতে উঠছেন। এতে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন অনেকে।
লুধুয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মো. জানিবুল হক বলেন, দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় প্রায় আট মাস ধরে সেতুটি কাজে আসছে না। তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েক শত শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে মই বেয়ে ওই সেতুতে উঠছেন। এতে সেতুর আশপাশের লুধুয়া, নান্দরকান্দি, শাহাবাজকান্দি, ফরিদকান্দি, পুরকান্দি, ঘোড়াকান্দি, ভাটিরসুলপুর, সুজাতপুর, উত্তর ফতেহপুর ও উত্তর ঠেটালিয়া এই ১০ গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার লোকের ভোগান্তি হচ্ছে।
"মই বাইয়া প্রতিদিন সেতুতে উইঠা আমাগো স্কুলে আওন লাগে। মইতে উঠলেই ঝাঁকুনি লাগে। খুব ভয় ও কষ্ট অয় তহন। সেতুতে উঠতে গিয়ে নিচে পইড়াও কয়েকবার ব্যথা পাইছি। একজনের হাতও ভাঙছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মতলব উত্তর উপজেলা, চাঁদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জানিবুল হক (লুধুয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ ফুট (সেতুর দৈর্ঘ্য), ২২ ফুট (সেতুর প্রস্থ), ৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা (প্রকল্প ব্যয়), ১০টি গ্রাম, প্রায় ২৫ হাজার মানুষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!