📌 নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ৪৬৯ জনের। নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১ হাজার ৪৬৮ জন, যাদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি বিদেশি নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে
নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় ভোতি কোশি নদীর পানির অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে গত ২৬ আগস্ট বুধবার সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৬৯ জনের, আর নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১ হাজার ৪৬৮ জন বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৃত্যু হয়েছে ৪৬৯ জনের, যার মধ্যে বেশিরভাগই নেপালের বাসিন্দা
- 📌 নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজার ৪৬৮ জন, যাদের মধ্যে অন্তত ৫৪০ জন বিদেশি নাগরিক
- 📌 নেপালের রাসুয়া ও তিব্বতের গিরং জেলায় আঘাত হানে বন্যা
- 📌 নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে ৮২৬ জন নেপালি ও ৫৫৮ জন তিব্বতির বাসিন্দা
📰 বিস্তারিত
নেপাল পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ আগস্ট ভোতি কোশি নদীর পানির অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। এই বন্যায় নেপালের পাশাপাশি তিব্বতের গিরং জেলাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাখ লাখ টন কাদা-পাথর-জঞ্জালের তলায় চাপা পড়ে বহু মানুষ নিখোঁজ হন।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নেপাল ও চীনের সরকারি মুখপাত্রদের বরাতে জানা যায়, নিখোঁজদের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ৩৮৪ জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮২৬ জন নেপালি ও ৫৫৮ জন তিব্বতির বাসিন্দা। এছাড়া বিদেশি নাগরিক রয়েছেন ৫০০ জন নেপালে ও ২৬০ জন তিব্বতে।
নেপালের সামরিক বাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহারের মাধ্যমে জীবিতদের সন্ধান করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ত্রাণসামগ্রী ফেলেছে। উদ্ধারকর্মীরা নিখোঁজদের সন্ধান করছে এবং মৃতদেহগুলোর সৎকারের ব্যবস্থা করছে।
"আমার পরিবার, আপনজন বলতে আর কেউ নেই। আমার জন্য অপেক্ষা করার আর কেউ নেই। সব কিছু শেষ। সবাই চলে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাসুয়া জেলা, নেপাল ও গিরং জেলা, তিব্বত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দিবগা তামাং (উদ্ধারকৃত ব্যক্তি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৪৬৯, নিখোঁজ ১ হাজার ৪৬৮
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!