📌 ঢাকার বাড্ডা বৌদ্ধ মন্দিরে রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতের আকাশে হাজারো রঙিন ফানুস ও প্রদীপের আলোয় উদযাপিত হয় প্রবারণা পূর্ণিমা। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা আত্মশুদ্ধি ও শান্তির প্রার্থনা করে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার পালন করেন
ঢাকার বাড্ডা বৌদ্ধ মন্দিরে রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতের আকাশে হাজারো রঙিন ফানুস ও প্রদীপের আলোয় উদযাপিত হয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই বিশেষ দিনটি পালিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ অক্টোবর রোববার সন্ধ্যায় বাড্ডা বৌদ্ধ মন্দিরে উদযাপিত হয় প্রবারণা পূর্ণিমা
- 📌 হাজারো প্রদীপ ও ফানুস উড়িয়ে মন্দির এলাকার আকাশ রঙিন হয়ে ওঠে
- 📌 বুদ্ধপূজা, পিণ্ডদান, পঞ্চশীল প্রার্থনা সহ বিভিন্ন আচার পালিত হয়
- 📌 অহিংসা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ফানুস ওড়ানো হয়
- 📌 সকল ধর্মের মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত হয় এই সর্বজনীন উৎসব
📰 বিস্তারিত
বাড্ডা বৌদ্ধ মন্দিরের প্রাঙ্গণে সকাল থেকে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল। সকালের প্রার্থনাসভা, বুদ্ধপূজা, পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের পর সন্ধ্যায় ফানুস ওড়ানোর মাধ্যমে উৎসবের মূল আকর্ষণ ফুটিয়ে তোলা হয়। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মতে, প্রবারণা পূর্ণিমা পালন ভিক্ষু ও গৃহীদের পাপমোচন এবং আত্মশুদ্ধির পথ সুগম করে।
উৎসবে অংশ নেওয়া পুণ্যার্থীরা জানান, ফানুস ওড়ানো কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এর মাধ্যমে তারা অহিংসা, মৈত্রী ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে চান। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সার্বিক মঙ্গল, শান্তি ও অগ্রগতির প্রার্থনা করা হয়েছে এই বিশেষ তিথিতে।
আনন্দঘন এই আয়োজনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে। ফানুস ওড়ানোর সময় সব ধর্মের মানুষের উপস্থিতি উৎসবটিকে একটি সর্বজনীন ও সম্প্রীতির মেলবন্ধনে রূপ দেয়।
"ফানুস ওড়ানো কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এর মাধ্যমে আমরা অহিংসা, মৈত্রী ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে চাই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাড্ডা বৌদ্ধ মন্দির, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা, পুণ্যার্থীরা, দর্শনার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!