📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নারায়ণগঞ্জের শিল্পনগরীতে বহুমুখী সংকটে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ১৬০টি কারখানা, কর্মহীন ৬০ হাজার শ্রমিক

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: মোহাম্মদ হাতেম মোহাম্মদ হাতেম
নারায়ণগঞ্জের শিল্পনগরীতে বহুমুখী সংকটে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ১৬০টি কারখানা, কর্মহীন ৬০ হাজার শ্রমিক

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নারায়ণগঞ্জের শিল্পনগরীতে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার কারণে ১৬০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে ৬০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে

নারায়ণগঞ্জের শিল্পনগরীতে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশের অনিশ্চয়তা এবং উৎপাদন ব্যয়ের বেড়ে যাওয়ার কারণে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে শিল্পখাত। কারখানাগুলোতে যন্ত্রপাতি ও শ্রমিক থাকলেও উৎপাদন চালানোর মতো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-গ্যাসের অভাব রয়েছে। এর ফলে ১৬০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, যার মধ্যে ৯১টি নিটিং, ৫৬টি গার্মেন্টস ও ১৩টি প্রিন্টিং কারখানা। এতে প্রায় ৬০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এবং তাদের পরিবারের জীবিকা বিপন্ন হয়ে পড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নারায়ণগঞ্জে গত তিন বছরে ১৬০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে, যার মধ্যে ৯১টি নিটিং, ৫৬টি গার্মেন্টস ও ১৩টি প্রিন্টিং কারখানা
  • 📌 ৬০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, তাদের পরিবারের জীবিকা বিপন্ন
  • 📌 ৫৫ শতাংশ কারখানায় ক্রয়াদেশ কমেছে বা বাতিল হয়েছে, ৭৮ শতাংশ কারখানা আংশিক উৎপাদন বন্ধের মুখে পড়েছে
  • 📌 ৮৭ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে পণ্য সরবরাহে বিলম্ব হচ্ছে, ৯০ শতাংশ কারখানা বিদ্যুৎ সংকটে পড়েছে
  • 📌 ফতুল্লা ও শাসনগাঁওতে গ্যাসের চাপ মাত্র ১ থেকে ১.৫ পিএসআইয়ে নেমে গেছে, উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে
  • 📌 উৎপাদন ব্যয় বাড়ার কারণে মুনাফা কমে যাচ্ছে, ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছে

📰 বিস্তারিত

নারায়ণগঞ্জের শিল্পনগরীতে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কারখানাগুলোতে যন্ত্রপাতি ও শ্রমিক থাকলেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-গ্যাসের অভাব রয়েছে। এর ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে এবং লোকসানের চাপ বাড়ছে। শিল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে নারায়ণগঞ্জে ৯১টি নিটিং, ৫৬টি গার্মেন্টস ও ১৩টি প্রিন্টিং কারখানা বন্ধ হয়েছে। এতে প্রায় ৬০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা শুধু কর্মহীন মানুষের হিসাব নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে হাজারো পরিবারের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।

শিল্প খাতের সংকট আরও গভীর হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশের অনিশ্চয়তায়। বিকেএমইএর একটি জরিপে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া ৫৫ শতাংশ নিটওয়্যার কারখানার ক্রয়াদেশ বিদেশি ব্র্যান্ড ও ক্রেতারা কমিয়েছে অথবা বাতিল করেছে। ৭৮ শতাংশ কারখানা কোনো না কোনো সময় আংশিক উৎপাদন বন্ধের মুখে পড়েছে। ৮৭ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তাদের পণ্য সরবরাহে বিলম্ব হচ্ছে। বিদ্যুৎ সংকটে পড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান।

গ্যাসের চাপ তলানিতে: ফতুল্লা, পঞ্চবটি, বিসিক শিল্পনগরী, শাসনগাঁও ও সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে গ্যাসের স্বল্পচাপ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে নিটিং, ডাইং ও ফিনিশিং কারখানার জন্য গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাপড় রং করা, শুকানো ও নির্দিষ্ট মানে ফিনিশিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় তাপ ও বাষ্প পাওয়া না গেলে উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ভেঙে পড়ে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ফতুল্লার কয়েকটি কারখানায় গ্যাসের চাপ মাত্র ১ থেকে ১.৫ পিএসআইয়ে নেমে আসার কথা উঠে এসেছে। কোথাও উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে, কোথাও যন্ত্রপাতি সচল না থাকায় শ্রমিকদের দিয়ে মেরামত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করানো হয়েছে।

"একটি কারখানা বন্ধ হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করতে পারে। শুধু গ্যাসের সংকট কিংবা শুধু ক্রয়াদেশের ঘাটতিকে দায়ী করে পুরো পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করা যায় না। কোথাও আর্থিক দুর্বলতা, কোথাও ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা, কোথাও শ্রমিক-মালিক বিরোধ সংকটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ, ফতুল্লা, শাসনগাঁও, সিদ্ধিরগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ হাতেম (বিকেএমইএ সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬০টি কারখানা বন্ধ, ৬০ হাজার কর্মহীন শ্রমিক, ৫৫% ক্রয়াদেশ কমেছে, ৭৮% কারখানা আংশিক বন্ধ, ৮৭% পণ্য সরবরাহে বিলম্ব, ৯০% বিদ্যুৎ সংকটে পড়েছে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖