📌 বগুড়া জেলা আদালতের সাত আইন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। তাঁদের দাবি, সরকার জুলাই সনদের বাস্তবায়ন না করায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে
বগুড়া জেলা আদালতের সাত আইন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। গতকাল সোমবার তাঁরা জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ও সহকারী সরকারি কৌঁসুলি পদে নিয়োজিত ছিলেন। পদত্যাগ করা কর্মকর্তারা হলেন— অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি শাফিকুর রহমান, এমদাদুল হক, সহকারী সরকারি কৌঁসুলি আরিফুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, ইন্দ্রজিৎ কুমার ঘোষ, আতাউর রহমান ও এজিপি শহিদুল ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়া জেলা আদালতের সাত আইন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন
- 📌 তাঁরা জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত বাংলাদেশ ল ইয়ার্স কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন
- 📌 পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানের কাছে
- 📌 কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, সরকার জুলাই সনদের বাস্তবায়ন না করায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বগুড়া জেলা আদালতের সাত আইন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। গতকাল সোমবার দুপুরে তাঁরা জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ও সহকারী সরকারি কৌঁসুলি পদে নিয়োজিত ছিলেন। পদত্যাগ করা কর্মকর্তারা হলেন— অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি শাফিকুর রহমান, এমদাদুল হক, সহকারী সরকারি কৌঁসুলি আরিফুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, ইন্দ্রজিৎ কুমার ঘোষ, আতাউর রহমান ও এজিপি শহিদুল ইসলাম।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বগুড়া জেলা আদালতে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সমর্থকসহ মোট ১৩২ জন আইনজীবীকে সরকারি কৌঁসুলি, জিপিসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর জেলা প্রশাসকের কাছে যোগদানের বিধান রয়েছে। এ কারণে তাঁরা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানান জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।
পদত্যাগ করা শাফিকুর রহমান বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেনি। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে বিচারপতি নিয়োগে সরকার ও সরকারি দলের প্রভাব পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়ায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে জনগণ এখন উদ্বিগ্ন। এ কারণে নীতিগতভাবে এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
‘জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেনি সরকার। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে বিচারপতি নিয়োগে সরকার ও সরকারি দলের প্রভাব জুলাই পূর্ব অবস্থায় ফিরে যাওয়ায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া জেলা আদালত, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাফিকুর রহমান, তৌফিকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ (আইন কর্মকর্তা), ১৩২ (মোট নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!