📌 বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশের সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে মজুত ২৩ লাখ ৫৯ হাজার মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার মেট্রিক টন বেশি। সরকারি গুদামের ধারণ ক্ষমতা বাড়িয়ে ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে
বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বর্তমানে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে, যা শুধু মজুত নয়, বরং ধারণ ক্ষমতাও বাড়িয়ে ২৭ লাখ মেট্রিক টনে নিয়ে আসা হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৬ মাসের মধ্যে মজুত বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার মেট্রিক টন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৩ লাখ ৫৯ হাজার মেট্রিক টন মজুত বর্তমানে দেশে সরকারি খাদ্যশস্যের — যা ৬ মাসে বেড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার মেট্রিক টন
- 📌 ২০২৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বোরো সংগ্রহে ধান ও চাল মিলিয়ে ১৬ লাখ ৮৩ হাজার মেট্রিক টন সংগ্রহ করা হয়েছে
- 📌 গমের ফ্লোটিং মজুত বর্তমানে ৬৮ হাজার ৭২৩ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে
- 📌 আগামী পাঁচ বছরে সরকারি গুদামের ধারণ ক্ষমতা বাড়িয়ে ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা
- 📌 নিরাপদ খাদ্য মজুত সীমা বাড়িয়ে ১৬ লাখ মেট্রিক টনে করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৬ মাসে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বেড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন। বর্তমানে মোট মজুতের মধ্যে চালের পরিমাণ ২০ লাখ ৩৬ হাজার ১০২ মেট্রিক টন, গমের ২ লাখ ৩২ হাজার ১৮৩ মেট্রিক টন এবং ধানের ৩৪ হাজার ৭০ মেট্রিক টন। ফ্লোটিং মজুতসহ মোট মজুতের পরিমাণ ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে।
বিএনপি সরকারের নেতৃত্বে নতুন সরকার খাদ্য মজুতের নিরাপদ সীমা বাড়িয়ে ১৬ লাখ মেট্রিক টনে করেছে। আগে এই সীমা ছিল মাত্র ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারের খাদ্য বান্ধব নীতির কারণে বর্তমানে দেশে খাদ্য নিয়ে কোনো ধরনের দুশ্চিন্তা নেই।
বোরো সংগ্রহের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বোরো সংগ্রহে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধান ও চাল মিলিয়ে মোট ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৫ মেট্রিক টন সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ধান সংগ্রহ হয়েছে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৪০ মেট্রিক টন, সিদ্ধ চাল ১২ লাখ ১ হাজার ৫৬৮ মেট্রিক টন এবং আতপ চাল ১ লাখ ৫ হাজার ৩১৩ মেট্রিক টন। গম সংগ্রহ করা হয়েছে মাত্র ৫২৩ মেট্রিক টন।
খাদ্যশস্যের ঘাটতি মোকাবিলা ও মজুত পরিস্থিতি শক্তিশালী রাখতে আমদানি কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৮ লাখ ২৭ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ে ৬৫ হাজার ৮৬০ মেট্রিক টন এবং বেসরকারি পর্যায়ে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৮৪০ মেট্রিক টন আমদানি করা হয়েছে।
"দেশের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে নিয়মিতভাবে মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বর্তমান মজুতের পরিমাণ দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত নিরাপদ খাদ্য মজুতের মানদণ্ডের চেয়ে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বর্তমানে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: একেএম রাশেদ শাহরিয়ার (বাসস প্রতিবেদক), তারেক রহমান (বিএনপি প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টন (মোট মজুত), ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন (৬ মাসে বৃদ্ধি), ৩৪ লাখ মেট্রিক টন (আগামী পাঁচ বছরে ধারণ ক্ষমতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!