📌 বিএনপি সরকারের শাসনামলে দেশের সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মজুত দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টনে, যা ১০ ফেব্রুয়ারির তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার টন বেশি। চাল, গম ও ধানের মজুত বৃদ্ধির পাশাপাশি সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে
বিএনপি সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য উন্নতি পেয়েছে। সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২২ লাখ ১০ হাজার ৬৭০ মেট্রিক টন, যা ৯ সেপ্টেম্বর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টনে। অর্থাৎ মাত্র সাত মাসে মজুত বেড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে, যা ১০ ফেব্রুয়ারির তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার টন বেশি
- 📌 বর্তমানে সরকারি মজুতে রয়েছে: চাল ২০ লাখ ৩৬ হাজার ১০২ মেট্রিক টন, গম ২ লাখ ৩২ হাজার ১৮৩ মেট্রিক টন, ধান ৩৪ হাজার ৭০ মেট্রিক টন
- 📌 ফ্লোটিং মজুতে গমের পরিমাণ ৬৮ হাজার ৭২৩ মেট্রিক টন
- 📌 ২০২৫ সালের ৪ আগস্টের তুলনায় বর্তমানে মজুত বেড়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টন
- 📌 ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় মজুত বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার টন
- 📌 ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৮ লাখ ২৭ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে
- 📌 বোরো সংগ্রহে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধান ও চাল মিলিয়ে মোট ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৫ মেট্রিক টন সংগ্রহ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সরকারি মজুতের বৃদ্ধি পেছনে রয়েছে উৎপাদন, সংগ্রহ ও সংরক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধির সমন্বিত প্রচেষ্টা। আগে দেশে খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা ছিল প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন, বর্তমানে তা বেড়ে ২৭ লাখ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই সক্ষমতা ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত থাকলে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, দাম স্থিতিশীল রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে খাদ্যের চাহিদা মোকাবিলা করা সহজ হয়। বর্তমানে সরকারি মজুতে চালের পরিমাণ সর্বাধিক, যা জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশের খাদ্য চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মজুত ও সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টির কারণে চলতি আমন মৌসুমেও ভালো ফলনের আশা করছে সরকার। ফলে আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রাও ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
"চলতি মৌসুমের অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ অভিযান সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সরকারি খাদ্যগুদামে বর্তমানে চাল ও গমের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, যা জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।"
খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জামাল হোসেন বলেন, দেশের বর্তমান খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক। তিনি জানান, প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মতো সরকারি খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম সচল রাখতে গুদাম থেকে সরবরাহও অব্যাহত রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সরকারি খাদ্যগুদামসমূহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী (সচিব), মো. মাহবুবুর রহমান (মহাপরিচালক), মো. জামাল হোসেন (অতিরিক্ত মহাপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টন (মজুত), ২৭ লাখ মেট্রিক টন (সংরক্ষণ সক্ষমতা), ৮ লাখ ২৭ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন (আমদানি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!