📌 নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘটিত জোড়া খুনের মামলায় প্রধান আসামি সবুজের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদ খালাস পেয়েছেন। বিচারক তৌহিদুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেন
নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালীর অতিরিক্ত দায়রা জজ-২য় আদালতের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বেগমগঞ্জ উপজেলার জগদীশপুর গ্রামে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দুইজন নিহত হন
- 📌 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে
- 📌 নিহত দুইজন হলেন সেতারা বেগম ও খলিল
- 📌 ঘটনায় আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন
- 📌 প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
২০১৩ সালের ২ এপ্রিল বেগমগঞ্জ উপজেলার জগদীশপুর গ্রামের মনু মিঝির বাড়িতে পুকুরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বিরোধের জের ধরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে স্থানীয় মহিলা সেতারা বেগম ও খলিল নামের দুইজন নিহত হন। ঘটনায় আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে পাঁচজন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর আবদুস সহিদ বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর বৃহস্পতিবার আদালত এই মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি জসিম উদ্দিন বাদল বলেন, ‘প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস দেওয়া হয়েছে।’
"প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস দেওয়া হয়েছে।"
রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সামছুদ্দিন আহমেদ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক তৌহিদুল ইসলাম, আসামি সবুজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (নিহত), ৫ (আহত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!