📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুরান ঢাকার বিউটি বোর্ডিং: শতবর্ষের ইতিহাস আর স্বাদের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনা

পুরান ঢাকার বিউটি বোর্ডিং: শতবর্ষের ইতিহাস আর স্বাদের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পুরান ঢাকার বিউটি বোর্ডিং শতবর্ষের ঐতিহ্য ধারণ করে আছে। সাহিত্যিকদের মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত এই স্থাপনা এখনও টিকে আছে শতবর্ষের স্বাদ আর ইতিহাসের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে

পুরান ঢাকার পুরোনো অলিগলির ভিড়ে দাঁড়িয়ে আছে এক জীর্ণ দোতলা হলুদ বাড়ি। কারুকাজ করা কাঠের জানালা আর লম্বা বারান্দা। নীল রঙে লেখা ‘বিউটি বোর্ডিং’। মহাদেব সাহা বলেছিলেন, ‘পুরোনো দিনের গান যেন শ্রাবণের বৃষ্টিধারায় ভিজে উঠেছে।’ শতবর্ষের পুরোনো এই স্থাপনা শুধু ইট-কাঠ নয়, পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ আর সাহিত্যিকদের মিলনস্থল হিসেবেও পরিচিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পুরান ঢাকার বিউটি বোর্ডিং শতবর্ষের ঐতিহ্য ধারণ করে আছে
  • 📌 এখানে পাওয়া যায় ঐতিহ্যবাহী খাবার যেমন টাটকা শর্ষে ইলিশ, আলু ভর্তা, ডাল, শিঙাড়া ও মাটির হাঁড়ির টক দই
  • 📌 বিউটি বোর্ডিং প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালে প্রহ্লাদ চন্দ্র সাহা ও নলিনী মোহন সাহার হাত ধরে
  • 📌 সাহিত্যিকদের মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত ছিল যেখানে শামসুর রাহমান, সৈয়দ শামসুল হক, শহীদ কাদরী, আল মাহমুদ প্রমুখ নিয়মিত আসতেন
  • 📌 ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ পাকিস্তানি হামলায় শহীদ হন প্রহ্লাদ চন্দ্র সাহাসহ ১৭-১৮ জন
  • 📌 স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বিউটি বোর্ডিং পুনরায় চালু করেন প্রহ্লাদ চন্দ্রের স্ত্রী প্রতিভা সাহা

📰 বিস্তারিত

পুরান ঢাকার শ্রীশচন্দ্র লেনে অবস্থিত বিউটি বোর্ডিং শুধু একটি হোটেল নয়, এটি শতবর্ষের ইতিহাস আর সাহিত্যিকদের মিলনস্থল। একসময় জমিদার সুধীর চন্দ্র দাসের বাড়ি ছিল এটি। ১৯৪৭ সালের আগে এখানে ‘সোনার বাংলা’ পত্রিকার অফিস ছিল। কবি শামসুর রাহমানের প্রথম কবিতা এখানেই ছাপা হয়। পরে ১৯৪৯ সালে দুই ভাই প্রহ্লাদ চন্দ্র সাহা ও নলিনী মোহন সাহা মিলে প্রতিষ্ঠা করেন বিউটি বোর্ডিং। নামকরণ করা হয় নলিনী মোহনের বড় মেয়ে বিউটির নামে।

চল্লিশের দশক থেকে এখানে নিয়মিত আসতেন বাংলা সাহিত্যের দিকপালরা। কবি শামসুর রাহমান, সৈয়দ শামসুল হক, শহীদ কাদরী, আল মাহমুদ, নির্মলেন্দু গুণ, মহাদেব সাহা প্রমুখ। এখানে বসেই আবদুল জব্বার খান লিখেছিলেন বাংলার প্রথম সবাক ছবি ‘মুখ ও মুখোশ’। সুরকার সমর দাসও এখানে বসে সুর করেছেন। ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয় ‘কবিকণ্ঠ’, ১৯৫৯ সালে ‘স্বদেশ’। তাজউদ্দীন আহমদও এখানে বসেছেন চায়ের টেবিলে।

কিন্তু এই আড্ডাই ছিল পাকিস্তানিদের চক্ষুশূল। ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ তাদের হামলায় শহীদ হন প্রহ্লাদ চন্দ্র সাহাসহ ১৭-১৮ জন। পরে তাঁর পরিবার ভারতে চলে যায়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রহ্লাদ চন্দ্রের স্ত্রী প্রতিভা সাহা দুই ছেলে সমর সাহা ও তারক সাহাকে নিয়ে পুনরায় চালু করেন বিউটি বোর্ডিং। ১৯৯৮ সালে হয়েছে ‘আড্ডা পুনর্মিলনী’, ২০০০ সালে গঠিত হয়েছে ‘বিউটি বোর্ডিং সুধী সংসদ’। তাঁরা লোকসান দিয়ে হলেও ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন।

"পুরোনো দিনের কোনো গান, শ্রাবণের বৃষ্টিধারা যেন নির্জন একটি বাড়ি বিউটি বোর্ডিং।" — মহাদেব সাহা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পুরান ঢাকা, শ্রীশচন্দ্র লেন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রহ্লাদ চন্দ্র সাহা, নলিনী মোহন সাহা, শামসুর রাহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০-২৫০ টাকা (রাত কাটানোর খরচ), ১১ কাঠা জমি, ২৮ মার্চ ১৯৭১, ১৭-১৮ জন শহীদ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖