📌 পঞ্চগড়ে ঘোরাফেরার সময় নিজেকে চট্টগ্রামের বাসিন্দা বলে পরিচয় দেওয়া এক কিশোরের প্রকৃত পরিচয় রোহিঙ্গা হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে। দুই মাস অনুসন্ধানের পর তাকে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে
পঞ্চগড় সদর উপজেলার সোনালী ব্যাংক অটোস্ট্যান্ড এলাকায় ঘোরাফেরা করার সময় স্থানীয়দের সন্দেহের মুখে পড়া এক কিশোরের প্রকৃত পরিচয় দুই মাস অনুসন্ধানের পর রোহিঙ্গা হিসেবে নিশ্চিত হয়েছে। পরে তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ বছর বয়সী কিশোর নিজেকে চট্টগ্রামের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল
- 📌 গত ২৩ জুন পঞ্চগড় সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল
- 📌 দুই মাস পর অনুসন্ধানে তার রোহিঙ্গা পরিচয় নিশ্চিত হয়
- 📌 কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত ২৩ জুন পঞ্চগড় সদর উপজেলার সোনালী ব্যাংক অটোস্ট্যান্ডের সামনে ঘোরাফেরা করার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তাঁরা কিশোরটির কাছে পরিচয় জানতে চাইলে সে নিজেকে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার কালুরঘাট এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দেয়। পরে তাকে পঞ্চগড় সদর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
থানায় কিশোরটি তার নাম মো. আ. ওয়াহিদ, বাবার নাম মো. জাকির আহমদ এবং ঠিকানা হিসেবে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার কালুরঘাট এলাকা উল্লেখ করে। এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে কিশোরটিকে আহ্ছানিয়া মিশন শিশু নগরীতে রাখা হয়।
আহ্ছানিয়া মিশন শিশু নগরীর শিক্ষকদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা অনুসন্ধান শুরু করেন। একপর্যায়ে কিশোরটির রোহিঙ্গা পরিচয়ের তথ্য পাওয়া যায়। পরে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
‘কিশোরটি প্রথমে চট্টগ্রামের ঠিকানা জানিয়েছিল। পরে তার পরিচয় নিয়ে অনুসন্ধান করা হলে রোহিঙ্গা পরিচয়ের তথ্য পাওয়া যায়। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল অফিসারের মাধ্যমে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ — মো. ইউসুফ আলী, সমাজকর্মী, আহ্ছানিয়া মিশন শিশু নগরী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পঞ্চগড় সদর উপজেলা, সোনালী ব্যাংক অটোস্ট্যান্ড এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আ. ওয়াহিদ (কিশোর), মো. ইউসুফ আলী, আশীষ কুমার শীল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (কিশোরের বয়স), ২৩ জুন (ঘটনার তারিখ), ২৮ আগস্ট (হস্তান্তরের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!