📌 মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। প্রথম পর্যায়ে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে বিনা খরচে (জিরো কস্ট) মালয়েশিয়ায় পাঠানোর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি মিলেছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের মাধ্যমে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে কর্মীদের পাঠানো হবে
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়ার পর প্রথম পর্যায়ে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে (জিরো কস্ট) দেশটিতে পাঠানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। বিমানভাড়াসহ অভিবাসন ব্যয়ও বহন করবে না কর্মীরা। সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তাঁদের মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়া সরকারের নীতিগত অনুমোদনে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে বিনা খরচে দেশটিতে পাঠানো হবে
- 📌 বিমানভাড়াসহ অভিবাসন ব্যয় বহন করবে না কর্মীরা
- 📌 সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের মাধ্যমে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে কর্মীদের পাঠানো হবে
- 📌 মালয়েশিয়ায় কর্মী সরবরাহকারী প্রধান পাঁচ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম
- 📌 মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ, পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটি এজেন্সিগুলো যাচাই-বাছাই করেছে
📰 বিস্তারিত
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। প্রথম পর্যায়ে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মতি মিলেছে। কর্মীদের বিমানভাড়াসহ অভিবাসন ব্যয় বহন করবে না মালয়েশিয়া সরকার। সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তাঁদের মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরেও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইস্কান্দারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকারের দাবি, এসব আলোচনা ও নেগোসিয়েশনের ফলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বড় সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে।
মালয়েশিয়া সরকারের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশটিতে কর্মী সরবরাহকারী প্রধান পাঁচ দেশের মধ্যে নেপাল ও বাংলাদেশের জন্য ২৫টি করে এবং ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের জন্য ১০টি করে রিক্রুটিং এজেন্সির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য সরাসরি নির্বাচিত ২৫টি এজেন্সির পাশাপাশি আরও ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি হিসেবে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ফলে মোট ৩৩৮টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর সুযোগ পাচ্ছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ, পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের যৌথ কমিটি এজেন্সিগুলো যাচাই-বাছাই করেছে। শ্রমবাজার দ্রুত চালুর লক্ষ্যে বিদ্যমান মেডিকেল সেন্টারের তালিকা পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছিল বাংলাদেশ। এর পরিপ্রেক্ষিতে মালয়েশিয়া অনুমোদিত বিদ্যমান তালিকা থেকে বিতর্কিত ও সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকা প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে ১৬টি মেডিকেল সেন্টারের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
"শ্রমবাজার চালু নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি বা নির্দেশনা জারি না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন, মেডিকেল পরীক্ষা বা পাসপোর্ট জমা না দিতে কর্মপ্রত্যাশীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মালয়েশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আনোয়ার ইব্রাহিম, রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইস্কান্দার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার কর্মী, ২৫টি এজেন্সি, ১০টি এজেন্সি, ৩১২টি এজেন্সি, ৩৩৮টি এজেন্সি, ১৬টি মেডিকেল সেন্টার, ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!