📌 ঝালকাঠির গাবখান নদীর তীব্র ভাঙনে প্রায় ৫০টি পরিবার ও একটি মসজিদ বিপন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে
ঝালকাঠি শহরের গাবখান নদীর তীব্র ভাঙনে নদীতীরবর্তী প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবার ও মৌলভী বাড়ি জামে মসজিদ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ ও স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাবখান নদীর ভাঙনে প্রায় ৫০টি পরিবার ও মৌলভী বাড়ি জামে মসজিদ বিপন্ন
- 📌 ভাঙন এলাকা প্রায় ৩০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত
- 📌 মানববন্ধনে অংশ নেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা
- 📌 দাবি: দ্রুত ভাঙন রোধে স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ
- 📌 সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে
📰 বিস্তারিত
আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর পৌর শহরের গাবখান ব্রিজের উত্তর পাশে কেফাইতনগর এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীতীর থেকে পার্শ্ববর্তী নগর খাল পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন নদীর পাড় ভেঙে বসতভিটা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার দিকে পানি এগিয়ে আসছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান তাপু, সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা হাফেজ মো. কাওছার, সাবেক কাউন্সিলর মো. শাহ আলম খান ফারসু এবং মৌলভী বাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মাসউদুর রহমানসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
বক্তারা গাবখান নদীর তীর সংরক্ষণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান। এছাড়া তারা পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারের সহযোগিতা কামনা করেন।
"গাবখান নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত উদ্যোগ না নিলে ঘরবাড়ি, মসজিদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। বহু পরিবার বসতভিটা হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝালকাঠি শহর, গাবখান নদীর তীরবর্তী এলাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তিবর্গ: অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার, আনিসুর রহমান তাপু, মাওলানা মাসউদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ৫০ পরিবার, ৩০০ মিটার ভাঙন এলাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!