📌 বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস মামলায় পিএসসির প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত। আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে সোমবার কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস মামলায় পিএসসির প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন। আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিসিএস প্রশ্নফাঁস মামলায় পিএসসির প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথ কারাগারে প্রেরিত
- 📌 আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন
- 📌 রাজধানীর পল্টন থানায় সিআইডির দায়ের করা মামলায় তিনি আত্মসমর্পণ করেন
- 📌 মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে
- 📌 অভিযোগপত্রে বলা হয় প্রশ্নফাঁস চক্রের মূল হোতা আবেদ আলী নেতৃত্ব দিতেন
📰 বিস্তারিত
বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পিএসসির প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। রাজধানীর পল্টন থানায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দায়ের করা মামলায় তিনি আত্মসমর্পণ করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, কৌশিক দেবনাথের পক্ষে আইনজীবী মো. শরিফুল ইসলাম জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এর আগে গত ৭ জুলাই তিনি আত্মসমর্পণ করে আগাম জামিন চাইলে তাঁকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
২০২৪ সালের ৮ জুলাই রাজধানীর পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে সিআইডির এসআই নিপ্পন চন্দ্র চন্দ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে গত ১৮ মে অভিযোগপত্র দেয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহা।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রশ্নফাঁস চক্রের মূল হোতা আবেদ আলীর নেতৃত্বে পরীক্ষার আগেই নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে প্রশ্নসহ উত্তর পৌঁছে দেওয়া হতো। প্রার্থীদের নির্দিষ্ট স্থানে এনে প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো হতো। এরপর পরীক্ষার দিন তাদের কেন্দ্রে পাঠানো হতো। বিনিময়ে তাঁরা মোটা অঙ্কের টাকা আগাম নিয়ে নিতেন।
"প্রশ্নফাঁস কার্যক্রম পরিচালনায় সংঘবদ্ধ চক্রটি দীর্ঘ সময় সক্রিয় ছিল এবং তারা পরীক্ষার গোপনীয়তা ভেঙে রাষ্ট্রীয় নিয়োগব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৌশিক দেবনাথ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ জন, ৫০-৬০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!