📌 বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ ও দায়ীদের শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। প্রশাসনের দেওয়া নামমাত্র ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তাঁরা দাবি জানিয়েছেন এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সোমবার সন্ধ্যায় বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। রাত আটটার সময় অবরোধ চলমান থাকলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক কোটি টাকা দাবি শিক্ষার্থীদের
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া ১৭ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন শিক্ষার্থীরা
- 📌 দুর্ঘটনার পর প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা
- 📌 মহাসড়ক অবরোধের কারণে বিপুল সংখ্যক যানবাহন আটকা পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। ইয়াসিন আরাফাতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁদের দাবি, এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলে তবেই তাঁরা অবরোধ তুলে নেবেন।
এর আগে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ইয়াসিন আরাফাতের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইয়াসিনের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও বিআরটিসির পক্ষ থেকে আরও সাত লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। ফলে মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭ লাখ টাকা। কিন্তু শিক্ষার্থীরা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দাবি জানান, তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, ‘আমরা দুপুরে আলোচনা করে ভেবেছিলাম, প্রশাসন আমাদের দাবিগুলো মেনে নেবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, দুপুর গড়িয়ে রাত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়নি। আবার নামে মাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আমরা এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাই।’
"অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়াসিন আরাফাত, মো. রাজিব, উপাচার্য মামুন আর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ লাখ টাকা, ১০ লাখ টাকা, ৭ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!