📌 বরিশালের পোর্ট রোড সংস্কার প্রকল্পে সড়কের মাঝখানে একটি দোকান রেখে কাজ চলছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, দোকানটি সরিয়ে না নিলে সড়ক প্রস্থ কমে যাবে এবং ভবিষ্যতে পুনরায় সংস্কারের খরচ হবে। বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা বলেছেন, দোকানটি একজন ব্যবসায়ীকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে সরানো হয়নি। জেলা প্রশাসক সতর্ক করেছেন, অবৈধ স্থাপনা থাকলে তা অবশ্যই অপসারণ করতে হবে
বরিশালের ব্যস্ততম সড়ক পোর্ট রোডের সংস্কার প্রকল্পে সড়কের মাঝখানে একটি দোকানঘর রেখে কাজ চলছে। ৭ কোটি ৪২ লাখ টাকার এই প্রকল্পে সড়কের প্রস্থ বাড়ানোর পরও দোকানটি সরিয়ে না নিলে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, সড়ক চলাচল প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে এবং ভবিষ্যতে পুনরায় সংস্কারের খরচ হবে। জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার সতর্ক করেছেন, অবৈধ স্থাপনা থাকলে তা অবশ্যই অপসারণ করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ কোটি ৪২ লাখ টাকার বরিশাল পোর্ট রোড সংস্কার প্রকল্পে সড়কের মাঝখানে একটি দোকানঘর রেখে কাজ চলছে।
- 📌 দোকানটি বিআইডব্লিউটিএর মালিকানাধীন এবং একজন ব্যবসায়ীকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে সরানো হয়নি।
- 📌 ৫০০ মিটার সড়কে আরসিসি ঢালাই করা হচ্ছে, যেখানে সড়কের প্রস্থ সর্বনিম্ন ৪০ এবং সর্বোচ্চ ৬০ ফুট।
- 📌 স্থানীয়রা দাবি করছেন, দোকানটি সরিয়ে না নিলে সড়ক চলাচল প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে এবং ভবিষ্যতে পুনরায় সংস্কারের খরচ হবে।
- 📌 বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, মানুষের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এমন স্থাপনা সড়কে থাকলে তা অবশ্যই অপসারণ করতে হবে।
- 📌 জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার সতর্ক করেছেন, অবৈধ স্থাপনা থাকলে তা অবশ্যই অপসারণ করতে হবে। বিআইডব্লিউটিএ এটি অপসারণ না করলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
বরিশাল নগরের ব্যস্ততম এলাকা পোর্ট রোডে সড়ক সংস্কার প্রকল্পে একটি দোকানঘর রেখে কাজ চলছে। দোকানটি বিআইডব্লিউটিএর মালিকানাধীন এবং সড়কের মাঝখানে অবস্থিত। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা জানান, দোকানটি সরিয়ে না নিলে সড়কের প্রস্থ কমে যাবে এবং চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে দোকানটি সরাতে হলে সড়ক আবার ভেঙে ফেলতে হবে, যা সরকারের অর্থ অপচয় হবে।
বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম খান প্রথম আলোকে বলেন, “মানুষের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এমন স্থাপনা সড়কে থাকলে তা অবশ্যই অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে। দোকানটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।”
পোর্ট রোডের ৫০০ মিটার সড়কে আরসিসি ঢালাই করা হচ্ছে, যেখানে সড়কের প্রস্থ সর্বনিম্ন ৪০ এবং সর্বোচ্চ ৬০ ফুট। প্রকল্পটির আওতায় নগের ফলপট্টি মোড় থেকে পোর্ট রোড সেতু পর্যন্ত ৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজ চলছে। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল। প্রকল্পের আওতায় সড়কের দুই পাশে নালা নির্মাণের কথা রয়েছে, কিন্তু বর্ষা মৌসুমে সড়কে পানি জমে যাওয়ার কারণে স্থানীয়রা দাবি করছেন, দোকানটি সরিয়ে না নিলে প্রকল্পের পুরোপুরি সুবিধা পাওয়া যাবে না।
বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমজাদ হোসেন বলেন, “দোকানটি একজন ব্যবসায়ীকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে, তাই তাঁর জীবিকার স্বার্থ বিবেচনা করে সরানো হয়নি। তবে আপনাদের প্রশ্নের জবাবে আমরা এটা বিবেচনা করব।”
স্থানীয় চারজন ব্যবসায়ী (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) জানান, বর্ষা মৌসুমে সড়কে পানি জমে যায় এবং মাছ পরিবহনের সময় ট্রাক থেকে বরফ গলা পানি পড়ে সারা বছরই সড়কে পানি জমে থাকে। পাশে নালা না থাকায় এসব পানি নিষ্কাশন হতে পারে না। দোকানঘরটি উচ্ছেদ না করায় সড়ক সংস্কারের পুরোপুরি সুবিধা পাওয়া যাবে না।
"সেখানে কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকলে তা অবশ্যই অপসারণ করা হবে। বিআইডব্লিউটিএ এটি অপসারণ না করলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার বলেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশালের পোর্ট রোড, কীর্তনখোলা নদীর তীরে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নজরুল ইসলাম খান (বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি), মো. আমজাদ হোসেন (বিআইডব্লিউটিএ নির্বাহী প্রকৌশলী), মো. মামুন খন্দকার (বরিশাল জেলা প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা, ৫০০ মিটার, ৪০-৬০ ফুট (সড়কের প্রস্থ), ৭ ডিসেম্বর (প্রকল্প শুরু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!