📌 বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম ঢাকার সেনানিবাসে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে সামরিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করেন। অন্যদিকে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের লক্ষ্য ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিবরণ দেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম ঢাকার সেনানিবাসে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বুধবার সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় দেশের সামরিক সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ বিনিময় এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামরিক সহযোগিতা: ভারত বাংলাদেশের সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে। উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
- 📌 আঞ্চলিক নিরাপত্তা: বৈঠকে আলোচিত হয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সমুদ্র নিরাপত্তা এবং অভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ কাজের বিষয়।
- 📌 ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ডা. এম এ মুহিত জানান, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের লক্ষ্য হল আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর হার কমাতে। ইতিমধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 প্রশিক্ষণ কার্যক্রম: প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ অব্যাহত থাকবে।
📰 বিস্তারিত
বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। ভবিষ্যতে উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে ভারতের অব্যাহত অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
বৈঠকে দুই পক্ষ দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং অভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিবেশী দুই দেশের যৌথভাবে কাজ করে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ডা. এম এ মুহিত ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের দুটি লক্ষ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রথম লক্ষ্য হল আক্রান্তের সংখ্যা কমাতে এবং দ্বিতীয় লক্ষ্য হল মৃত্যুর হার কমাতে। ইতিমধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
"ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের দুটি লক্ষ্য—আক্রান্তের সংখ্যা কমানো এবং মৃত্যুর হার কমানো। এ জন্য ইতিমধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা সেনানিবাস, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, দীনেশ ত্রিবেদী, ডা. এম এ মুহিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় তিন হাজার চিকিৎসক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!