📌 বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত ‘অ্যাকুয়ারিয়াম ফিশ ফেয়ার ২০২৬’-এ ১৫ হাজার টাকার মাছ থেকে শুরু করে ৫০ টাকার মাছ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দামের বিচিত্রতা দেখা গেছে। মেলায় ছিল রঙিন মাছ, জলজ উদ্ভিদ, টেরারিয়ামসহ বিভিন্ন অ্যাকুয়ারিয়াম সাজসজ্জার উপকরণ
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে তিন দিনের ‘অ্যাকুয়ারিয়াম ফিশ ফেয়ার ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মেলায় রঙিন মাছের দাম থেকে শুরু করে অ্যাকুয়ারিয়াম সাজসজ্জার বিভিন্ন উপকরণের দামের বিচিত্রতা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করেছে। ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মেলায় ৪৫টি স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, জলজ উদ্ভিদ ও সাজসজ্জার উপকরণ বিক্রি হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেলায় সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছিল এক জোড়া বিশেষ জাতের মলি মাছ
- 📌 ‘ফাইন্ডিং নিমো’-র ক্লাউনফিশের জোড়ার দাম ছিল ১৪ হাজার টাকা
- 📌 ২৪ ক্যারেট গোল্ড নামের সোনালি মাছের জোড়ার দাম মাত্র ৪০০ টাকা
- 📌 ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছিল গাপ্পি ও অন্যান্য সাধারণ মাছের জোড়া
- 📌 ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছিল গোলাপি ফলভরা চায়না বট বনসাই
- 📌 মেলায় ছিল রঙিন ক্রেফিশ, টেরারিয়ামসহ বিভিন্ন অ্যাকুয়ারিয়াম সাজসজ্জা
- 📌 ৫ থেকে ৮ নভেম্বর ইস্কাটনের অ্যাবাকাস কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলাদেশ অর্নামেন্টাল ফিশ ফেয়ার অ্যান্ড শো ২০২৬’
📰 বিস্তারিত
মেলায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। কেউ মাছের ছবি তুলছিলেন, কেউ ভিডিও করছিলেন, আবার কেউ প্রিয়জনকে দেখাচ্ছিলেন মাছের দুনিয়ার বিচিত্রতা। মেলায় ছিল গাপ্পি, বেলুন মলি, ব্ল্যাক মলি, ব্লু পান্ডা, অ্যাভাটার, গোল্ডফিশ, সিকলিড, টেট্রা, অ্যাঞ্জেলফিশ, ফ্লাওয়ার হর্ন, পার্ল গোরামি, বেটা মাছসহ বিভিন্ন রঙের মাছ। পাশাপাশি ছিল রঙিন চিংড়ি, ক্রেফিশ ও লোনাপানির ক্লাউনফিশ।
মেলায় বিশেষভাবে দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করেছিল এক জোড়া বিশেষ জাতের মলি মাছ। এই মাছের দাম ছিল সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ‘ফাইন্ডিং নিমো’ সিনেমার সেই কমলা-সাদা ক্লাউনফিশের জোড়ার দাম ছিল ১৪ হাজার টাকা। মেলায় ছিল ‘বাবল আই গোল্ডফিশ’ নামের মাছ, যার মুখের দুই পাশে বেলুনের মতো দুটি থলে। এই মাছের দাম ছিল ১২ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা।
অ্যাকোয়া টেক বিডির স্টলে ‘২৪ ক্যারেট গোল্ড’ নামের সোনালি মাছের জোড়ার দাম ছিল মাত্র ৪০০ টাকা। সাধারণ মাছের দামও ছিল বিভিন্ন। গাপ্পি ও অন্যান্য সাধারণ মাছের জোড়া পাওয়া যাচ্ছিল মাত্র ৫০ টাকায়। অন্যদিকে, আমদানি করা বিশেষ জাতের মলির জোড়ার দাম ছিল সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা।
মেলায় শামুকও বিক্রি হয়েছিল। অ্যাকুয়ারিয়ামের কাচ বেয়ে ওঠানামা করে এই শামুকগুলো। তাদের দাম ছিল মাত্র ২০ টাকা করে। জলজ উদ্ভিদের দামও ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা করে। টেরারিয়ামসহ বিভিন্ন অ্যাকুয়ারিয়াম সাজসজ্জার দাম ছিল ৭০০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।
মেলায় ছিল পাখির স্টলও। বাজরিগার, লাভবার্ডসহ নানা প্রজাতির পাখির দাম ছিল ৬০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। বিশেষভাবে শিশুদের আকর্ষণ করেছিল এই স্টল। মেলায় সবচেয়ে বেশি কৌতূহল ছিল শিশুদের চোখেমুখে।
"মেলায় যেতে না পারলেও মন খারাপের কিছু নেই। ৫ থেকে ৮ নভেম্বর ইস্কাটনের অ্যাবাকাস কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলাদেশ অর্নামেন্টাল ফিশ ফেয়ার অ্যান্ড শো ২০২৬’।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সেগুনবাগিচা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দর্শনার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার টাকা (মাছের সর্বোচ্চ দাম), ৪৫টি স্টল, ২৯-৩১ অক্টোবর (মেলার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!