📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ঘোষণা করেছেন যে, তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য গঠিত মজুরি বোর্ডের বৈঠক খুব শিগগির শুরু হবে। তিনি শ্রমিকদের দাবি পূরণ ও শিল্পের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য সরকারের নীতি ব্যাখ্যা করেছেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ঘোষণা করেছেন যে, তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য গঠিত মজুরি বোর্ডের বৈঠক খুব শিগগির শুরু হবে। সোমবার (২ নভেম্বর) বিকালে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি শ্রমিকদের দাবি পূরণে সরকারের নিশ্চয়তা দেন এবং সড়ক-মহাসড়কে অস্থিরতা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মজুরি বোর্ডের বৈঠক খুব শিগগির শুরু হবে, গতকাল (১ নভেম্বর) বোর্ড গঠিত হয়েছিল।
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনা করা হবে।
- 📌 শ্রমিকদের দাবি ছিল দ্রুত মজুরি বোর্ড গঠন করে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা।
- 📌 শিল্পের স্থিতিশীলতা রক্ষা ও উৎপাদন ব্যাহত না হওয়ার জন্য সরকারের নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
- 📌 শ্রমিকদের আন্দোলন করার ক্ষেত্রে সরকার স্মারকলিপি জমা দেওয়ার মাধ্যমে দাবি জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে মজুরি বোর্ডের বৈঠক খুব শিগগির শুরু হবে। তিনি জানান, গতকাল (১ নভেম্বর) সকালে মজুরি বোর্ড গঠিত হয়েছিল। তবে বৈঠকের সময়সূচী নির্ধারণে কিছু দেরি হলেও খুব শিগগিরই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের দাবি ছিল দ্রুত মজুরি বোর্ড গঠন করে তাদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা। শ্রমমন্ত্রী মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের প্রতিনিধির নাম চেয়েছিলেন। কিন্তু বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি চূড়ান্ত করতে কিছুটা সময় লেগেছে। পরশু (৩০ অক্টোবর) রাতে তাদের প্রতিনিধির নাম চূড়ান্ত হওয়ার পর গতকালই মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছিল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন যে, শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একই সঙ্গে মালিকপক্ষের বক্তব্য ও শিল্পের স্বার্থ বিবেচনায় রাখতে হবে, যেন উৎপাদন ও রপ্তানি ব্যাহত না হয়। তবে শ্রমিকদের স্বার্থ যেন বেশি সংরক্ষিত হয়, সে চেষ্টা সরকার করবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিল্পবান্ধব ও শ্রমিকবান্ধব নীতি গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া থাকতে পারে এবং তারা আন্দোলনও করতে পারেন। তবে প্রাথমিকভাবে স্মারকলিপি দেওয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ে দাবি জানাতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।
"শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিল্প পরিচালিত হয়। মালিকের পুঁজি ও শ্রমিকের শ্রমের সমন্বয়েই শিল্প গড়ে ওঠে, অর্থনীতি সমৃদ্ধ হয় এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ে। তাই শিল্প চালু রাখা, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং দেশের রপ্তানি অব্যাহত রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ নভেম্বর (আজকের তারিখ), ১ নভেম্বর (বোর্ড গঠনের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!