📌 মিরপুরে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভে চারটি মামলা দায়ের হয়। চার মামলায় সাড়ে ১০ হাজার আসামি, গ্রেপ্তার ২২ জন। এর মধ্যে ১১ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
মিরপুরে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভে সংঘর্ষ ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় সাড়ে ১০ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১ জনকে গোয়েন্দা পুলিশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিরপুরে মজুরি আন্দোলনে চার মামলায় সাড়ে ১০ হাজার আসামি, গ্রেপ্তার ২২ জন
- 📌 মিরপুর মডেল থানায় ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর ও পুলিশ হামলায় ৩ হাজার আসামি, গ্রেপ্তার ৬ জন
- 📌 পল্লবী থানায় পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও সরকারি কাজে বাধা দিতে ৬ হাজার আসামি, গ্রেপ্তার ১৬ জন
- 📌 গ্রেপ্তারদের মধ্যে ১১ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী হিসেবে চিহ্নিত
- 📌 সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা চলছে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে
📰 বিস্তারিত
মিরপুরে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভে সংঘর্ষ ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। মিরপুর মডেল ও পল্লবী থানায় এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে। মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান জানান, ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁর থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় তিন হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি বলেন, আজও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবে তাদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে পল্লবী থানার ওসি জালাল উদ্দিন বলেন, পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা ও ট্রাফিক বক্স ভাঙচুরের অভিযোগে তাঁর থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। সব মামলার বাদী পুলিশ। তিনি জানান, প্রতিটি মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ১১ জনকে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে দাবি করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
"আজও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।"
"পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা ও ট্রাফিক বক্স ভাঙচুরের অভিযোগে তিনটি মামলা হয়েছে। প্রতিটি মামলায় দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার আসামি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. হাফিজুর রহমান (ওসি, মিরপুর মডেল থানা), জালাল উদ্দিন (ওসি, পল্লবী থানা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার+ আসামি, ২২ জন গ্রেপ্তার, ১১ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!