📌 বান্দরবানে দুটি প্রকল্পের আওতায় ৬০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে সরকার পাহাড়ি এলাকায় নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা বাড়াচ্ছে। ৬৬৭টি নতুন টয়লেট নির্মাণ, ৪৫ কোটি টাকার প্রকল্পে ৫০টি গভীর নলকূপ স্থাপনসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে মানুষের দুর্ভোগ কমছে
বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা বাড়াতে সরকার প্রায় ৬০ কোটি টাকার দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের আওতায় পৌর এলাকায় স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার নির্মাণ ও সংস্কারের পাশাপাশি গ্র্যাভিটি ফ্লো সিস্টেম, রিংওয়েল, গভীর নলকূপ ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে দীর্ঘদিন পানি ও স্যানিটেশন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনযাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বান্দরবানে ৬০ কোটি টাকার দুটি প্রকল্পে ৬৬৭টি নতুন টয়লেট নির্মাণ ও ৮৬৭টি টয়লেট উন্নয়ন করা হচ্ছে
- 📌 ৪৫ কোটি টাকার প্রকল্পে ৭টি উপজেলায় ১২টি জিএফএস মেরামত, ১০টি নতুন জিএফএস নির্মাণসহ ৫০টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে
- 📌 বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেমের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলা করা হচ্ছে
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, নতুন স্যানিটেশন সুবিধা পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং নারী-শিশু-বয়স্কদের ভোগান্তি কমাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই ও সমন্বিত পৌর পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় বান্দরবান পৌর এলাকায় প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজ চলছে। ২০২৫-২৬ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছর মেয়াদে এই প্রকল্পে ৬৬৭টি নতুন হাউসহোল্ড টয়লেট নির্মাণ, ৮৬৭টি টয়লেট উন্নয়ন, পাঁচটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ ও আটটি সংস্কারের কাজ রয়েছে। বান্দরবান ও লামা পৌরসভায় প্রায় ২০০টি টয়লেট নির্মাণ ও সংস্কারের কাজও চলছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়িত ‘বান্দরবানের স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প’-এ ২০২৪-২৫ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর মেয়াদে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এই প্রকল্পে বান্দরবান সদর, রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পানি ও স্যানিটেশন সুবিধার গুরুত্ব অপরিসীম। অনেক এলাকায় আগে নিরাপদ পানির উৎস দূরে থাকায় বাসিন্দাদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হতো। এখন ১২টি পুরোনো জিএফএস মেরামত ও ১০টি নতুন জিএফএস নির্মাণসহ ৫৮৩টি রিংওয়েল, ১৪০টি রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম, ৫০টি গভীর নলকূপ ও ৫০টি প্রোডাকশন টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩০টি স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে।
"আগে পানি সংগ্রহ করতে অনেক দূরে যেতে হতো। এখন এলাকায় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা হওয়ায় মানুষের সময় ও শ্রম দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে।"
— মংক্য প্রু মার্মা, তালুকদার পাড়ার বৌদ্ধ বিহারের সভাপতি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বান্দরবান জেলা (পৌর এলাকা, রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনুপম দে (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী), মংক্য প্রু মার্মা, হ্নাক্রা মার্মা, সাগর, কামাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ কোটি টাকা (মোট বিনিয়োগ), ৬৬৭টি নতুন টয়লেট, ৮৬৭টি টয়লেট উন্নয়ন, ৪৫ কোটি টাকা (২য় প্রকল্প), ১২টি জিএফএস মেরামত, ১০টি নতুন জিএফএস, ৫০টি গভীর নলকূপ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!