📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৯:০২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বার্ধক্যে স্বাধীনতা ধরে রাখতে দাঁত মাজার সময় এক পায়ে দাঁড়ানোর অভ্যাস কতটা কার্যকর?

বার্ধক্যে স্বাধীনতা ধরে রাখতে দাঁত মাজার সময় এক পায়ে দাঁড়ানোর অভ্যাস কতটা কার্যকর?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দাঁত মাজার সময় এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখতে সাহায্য করে, যা বার্ধক্যে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অর্থোপেডিক সার্জন ডা. জসলিন উইটসেইনের মতে, এটি দৈনন্দিন রুটিনের সঙ্গে সহজেই যুক্ত করা যায়

দাঁত মাজার সময় এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যা বার্ধক্যে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থোপেডিক সার্জন ডা. জসলিন উইটসেইন মনে করেন, দৈনন্দিন পরিচিত কাজের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যুক্ত করার এটি একটি কার্যকর কৌশল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দাঁত মাজার সময় এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখতে সাহায্য করে
  • 📌 শরীরের ভারসাম্য বার্ধক্যে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ
  • 📌 ডা. জসলিন উইটসেইনের মতে, এটি দৈনন্দিন রুটিনের সঙ্গে যুক্ত করা যায়
  • 📌 ভারসাম্যের দুর্বলতা শরীরের সামগ্রিক সক্ষমতার ইঙ্গিত হতে পারে
  • 📌 ৫১ থেকে ৭৫ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে যারা এক পায়ে ১০ সেকেন্ড দাঁড়াতে পারেননি, তাদের মৃত্যুঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল

📰 বিস্তারিত

অর্থোপেডিক সার্জন ডা. জসলিন উইটসেইন জানান, দাঁত মাজার সময় এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখার ক্ষমতা চর্চায় সাহায্য করতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ভারসাম্যই হয়ে উঠতে পারে স্বাধীনভাবে চলাফেরার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি একে দৈনন্দিন রুটিনের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যুক্ত করার একটি সহজ উপায় হিসেবে উল্লেখ করেন।

এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকার সময় শরীরকে স্থির রাখতে পায়ের ছোট পেশি, গোড়ালি ও পায়ের বিভিন্ন অংশ একসঙ্গে কাজ করে। এ সময় শরীর নিজের অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকে, যা ‘প্রোপ্রিওসেপশন’ নামে পরিচিত। এটি শরীরকে নিজের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে।

সুস্থভাবে বার্ধক্য অর্জনের জন্য সাধারণত ওজন, রক্তচাপ, হাড়ের শক্তি বা হৃদ্স্বাস্থ্যের দিকে বেশি নজর দেওয়া হয়। তবে শরীরের ভারসাম্যও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশির শক্তি, প্রতিক্রিয়ার গতি ও শরীরের সমন্বয় কিছুটা কমে যেতে পারে। সামান্য একটি ভুল পা বা ভেজা মেঝেতে হোঁচট খাওয়া বয়স্কদের জন্য বড় সমস্যার কারণ হতে পারে।

২০২২ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, ৫১ থেকে ৭৫ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে যারা এক পায়ে ১০ সেকেন্ড দাঁড়াতে পারেননি, তাদের পরবর্তী সময়ে মৃত্যুঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। তবে গবেষণাটি স্পষ্ট করে যে, এক পায়ে ১০ সেকেন্ড দাঁড়াতে না পারা মানেই আয়ু কমে যাবে, এমন কোনো প্রমাণ দেয়নি। বরং এটি শরীরের সামগ্রিক সক্ষমতা বা বয়সজনিত পরিবর্তনের একটি ইঙ্গিত হতে পারে।

"দাঁত মাজার সময় কয়েক সেকেন্ড এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকা শরীরের ভারসাম্য চর্চায় সাহায্য করতে পারে। অভ্যাস হয়ে গেলে ধীরে ধীরে সহায়তা কমিয়ে নিজের ভারসাম্য নিজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।"

যাদের ভারসাম্য খুব দুর্বল বা বারবার পড়ে যাওয়ার ইতিহাস রয়েছে, তাদের একা এই অনুশীলন না করাই নিরাপদ। তবে সুস্থ থাকার জন্য বড় পরিকল্পনার প্রয়োজন নেই। দৈনন্দিন ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমেই সুস্থ বার্ধক্যের প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অনলাইন প্রকাশনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. জসলিন উইটসেইন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ থেকে ৭৫ বছর, ১০ সেকেন্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖