📌 অস্ট্রেলিয়ার গবেষকদের নেতৃত্বে ব্যক্তিবিশেষে তৈরি ক্যানসার টিকার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় সাফল্য মিলেছে। মেলানোমা প্রতিরোধে এই টিকা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রশিক্ষিত করে তুলবে বলে দাবি গবেষকদের। আগামী অক্টোবরে স্পেনে গবেষণার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ করা হবে
অস্ট্রেলিয়ার গবেষকদের নেতৃত্বে ব্যক্তিবিশেষে তৈরি ক্যানসার টিকার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় সাফল্য মিলেছে। মেলানোমা নামক ত্বকের ক্যানসারের চিকিৎসায় এই টিকা কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলে প্রমাণিত হয়েছে। অস্ট্রেলীয় গবেষক অধ্যাপক জর্জিনা লংয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, টিকাটি ক্যানসার পুনরাবৃত্তি ও শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সক্ষম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার গবেষকদের নেতৃত্বে ব্যক্তিবিশেষে তৈরি ক্যানসার টিকার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় সাফল্য মিলেছে
- 📌 মেলানোমা প্রতিরোধে টিকাটি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রশিক্ষিত করে তুলবে
- 📌 টিকাটি ক্যানসার পুনরাবৃত্তি ও শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমাতে সক্ষম
- 📌 গবেষণায় ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি বার্তাবাহী আরএনএভিত্তিক, যা করোনাভাইরাসের টিকার ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়েছে
- 📌 আগামী অক্টোবরে স্পেনের মাদ্রিদে গবেষণার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ করা হবে
📰 বিস্তারিত
অস্ট্রেলিয়ার গবেষক অধ্যাপক জর্জিনা লংয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যক্তিবিশেষে তৈরি ক্যানসার টিকা মেলানোমা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। গবেষণায় অংশগ্রহণকারী রোগীদের শরীর থেকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আক্রান্ত অংশ সরিয়ে নিয়ে তাঁদের ক্যানসার কোষ ও রক্তের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। এরপর রোগীর ক্যানসার কোষের বিশেষ বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে তাঁর জন্য আলাদাভাবে টিকা তৈরি করা হয়। এই টিকা রোগীর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রশিক্ষিত করে, যাতে ভবিষ্যতে একই ধরনের ক্যানসার শরীরে ফিরে এলে দ্রুত তা শনাক্ত করে আক্রমণ করতে পারে।
গবেষকদের দাবি, এটি বিশ্বের প্রথম বার্তাবাহী আরএনএভিত্তিক ক্যানসারের চিকিৎসা, যা তৃতীয় ধাপের বড় পরীক্ষায় সফল হয়েছে। এই প্রযুক্তিটি করোনাভাইরাসের টিকার ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়েছে বলে জানান গবেষকরা। অস্ট্রেলিয়ার মেলানোমা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক অ্যালেক্স মেনজিস এই সাফল্যকে ক্যানসার চিকিৎসায় সম্ভাব্য বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে পুরো ক্যানসার চিকিৎসা ব্যবস্থাতেই বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একজন রোগী গ্যারি কেবলিশ। তিনি ২০১৯ সালে এই টিকা গ্রহণ করেন। তখন চিকিৎসকেরা ধারণা করেছিলেন, তাঁর মেলানোমা পাঁচ বছরের মধ্যে ফিরে আসার আশঙ্কা ছিল ৭৫ শতাংশ। বর্তমানে তিনি ক্যানসারমুক্ত এবং সুস্থ আছেন।
"এই টিকা রোগীর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রশিক্ষিত করে তুলবে, যাতে ভবিষ্যতে একই ধরনের ক্যানসার শরীরে ফিরে এলে দ্রুত তা শনাক্ত করে আক্রমণ করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক জর্জিনা লং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!