📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কচুরিপানায় বিপর্যস্ত চলনবিল: কৃষকের স্বপ্নে জলাবদ্ধতা, মৎস্য সম্পদ হারাচ্ছে দেশ

কচুরিপানায় বিপর্যস্ত চলনবিল: কৃষকের স্বপ্নে জলাবদ্ধতা, মৎস্য সম্পদ হারাচ্ছে দেশ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দখল-দূষণে বিপর্যস্ত চলনবিলের জীববৈচিত্র্য। কচুরিপানার আগ্রাসনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে কৃষি আবাদ ও মৎস্য সম্পদ ধ্বংসের মুখে। সরকারি উদ্যোগের অভাবে চলনবিলের আয়তন দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে।

দখল-দূষণ ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ফলে চলনবিলের অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। একই সঙ্গে চলনবিলের সঙ্গে যুক্ত নদ-নদীগুলোও বিপর্যয়ের মুখে। বর্ষাকালেও পানির অভাবে প্রাণহীন হয়ে পড়েছে চলনবিল। শরৎকালে সামান্য জেগে উঠলেও চলনবিলজুড়ে বিস্তৃত কচুরিপানার কারণে মৎস্য সম্পদ ও কৃষি আবাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চলনবিলের আয়তন কমেছে ১ হাজার ৮৮ বর্গকিলোমিটার থেকে ১৬৮ বর্গকিলোমিটারে
  • 📌 কচুরিপানার কারণে চলনবিলজুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমন, সরিষা ও ইরি-বোরো ধানের আবাদ
  • 📌 চলনবিলের সঙ্গে যুক্ত আত্রাই, নন্দকুঁজা ও গুমানী নদী দখল ও দূষণের কারণে ভরাট হয়ে পড়েছে
  • 📌 ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত এম হামিদের ‘চলনবিলের কথা’ গ্রন্থে বর্ণিত অবস্থা থেকে বর্তমান চলনবিল সম্পূর্ণ বিপরীত
  • 📌 চলনবিলের আয়তন কমেছে প্রতি বছর গড়ে ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ হারে

📰 বিস্তারিত

চলনবিলের সঙ্গে যুক্ত রাজশাহী বিভাগের ছয় জেলার মধ্যে বর্তমানে পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলার ১০টি উপজেলার ৬২টি ইউনিয়নের ১ হাজার ৬০০ গ্রাম নিয়ে গঠিত চলনবিল। এক সময়ে ৫৫০ বর্গমাইল আয়তনের এই বিল বর্তমানে মাত্র ১৬৮ বর্গকিলোমিটারে সংকুচিত হয়েছে। চলনবিলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ২১টি নদ-নদী, ৭১টি নালা-খাল ও ৯৩টি ছোট বিল।

চলনবিল রক্ষা আন্দোলন কমিটির তথ্যানুযায়ী, ১৯১৪ সালে ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে চলনবিল দ্বিখণ্ডিত হয়। পরবর্তীকালে হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়ক ও বাঘাবাড়ী-তাড়াশ বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ চলনবিলের পানিপ্রবাহকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। এর ফলে বিলের বিভিন্ন অংশে পলি জমে ভরাট হয়ে যাচ্ছে।

কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) পানাসি প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাত হোসেন মো. জানান, চলনবিলের সঙ্গে যুক্ত ২১টি নদ-নদীর অধিকাংশই এখন ভরাটের দিকে। বড়াল নদ মরা খালে পরিণত হয়েছে। বিলের সঙ্গে যুক্ত ৭১টি নালা-খালের মধ্যে ৪১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মধ্যে ৩৬৮ কিলোমিটারই পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে।

"চলনবিলের পানিপ্রবাহের প্রধান উৎস বড়াল নদ, গুমানী ও আত্রাই। পদ্মা-যমুনার পানি এ তিন নদ-নদীর মাধ্যমেই বিলে প্রবেশ করে। ১৯৬১ সালে ফারাক্কার বাঁধ নির্মাণের পর থেকে চলনবিলের পানির স্তর ক্রমাগত নেমে যেতে থাকে। ১৯৮৫ সালে বড়াল নদের উৎসমুখে স্লুইসগেট নির্মাণের ফলে বড়াল নদ পুরোপুরি পানিশূন্য হয়ে পড়ে। এর পর থেকেই চলনবিল পানিশূন্য হতে শুরু করে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিভাগের পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম হামিদ (চলনবিল বিষয়ক লেখক), সাজ্জাত হোসেন মো. (বিএডিসির নির্বাহী পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৮৮ বর্গকিলোমিটার (১৯০৯ সালে চলনবিলের আয়তন), ১৬৮ বর্গকিলোমিটার (বর্তমান আয়তন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖