📌 নেপালে আকস্মিক বন্যার পূর্ববর্তী কম্পনটি ভূমিকম্প নয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। হিমবাহ ধস ও ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট এই কম্পনে ভাটির দিকে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ১৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৮৪৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার আগে যে কম্পন অনুভূত হয়েছিল তা ভূমিকম্প নয়। বরং হিমবাহ ধস ও ভূমিধস থেকেই ওই কম্পনের সৃষ্টি হয়েছিল। বুধবার সকালে ভূমিকম্প হিসেবে শনাক্ত হওয়া কম্পনটি পরে হিমবাহ ধস ও পাথর-মাটির স্রোত (ডেব্রিস ফ্লো) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর ফলে ভাটির দিকে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) নিশ্চিত করেছে, নেপালের বন্যার পূর্ববর্তী কম্পনটি ভূমিকম্প নয়
- 📌 হিমবাহ ধস ও ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট কম্পনে ভাটির দিকে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে
- 📌 নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে লহেন্দে নদীতে বিশাল ভূমিধস হয়
- 📌 ভূমিধসের তীব্রতা পরে ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পের সমতুল্য হিসেবে রেকর্ড হয়
- 📌 এখন পর্যন্ত ১৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৮৪৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন
- 📌 নিখোঁজদের মধ্যে ১৩৩ ভারতীয়সহ কমপক্ষে ২৮ দেশের নাগরিক রয়েছেন
📰 বিস্তারিত
বুধবার সকালে ভূমিকম্প হিসেবে শনাক্ত হওয়া কম্পনটি পরে হিমবাহ ধস ও ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। প্রাথমিকভাবে কাঠমান্ডুর উত্তরে নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে কম্পনটি শনাক্ত হলেও পরে তা ভূমিকম্প নয় বলে জানানো হয়। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নেপাল-চীন রাসুওয়াগাড়ি সীমান্ত চৌকি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে লহেন্দে নদীতে বরফ ও পাথরের বিশাল ভূমিধস হয়।
এই ভূমিধসে নদীতে বিপুল পরিমাণ পাথর, কাদা ও পানি নেমে গিয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে। ভূমিধসের তীব্রতা পরে ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পের সমতুল্য হিসেবে রেকর্ড করা হয়। ভয়াবহ এই বন্যায় এখন পর্যন্ত ১৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।
এছাড়া, সাড়ে চারশ'র বেশি বিদেশি নাগরিকসহ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ৮৪৪ জন। এদের মধ্যে ১৩৩ ভারতীয় ছাড়াও রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, মালয়েশিয়াসহ কমপক্ষে ২৮ দেশের নাগরিকরা।
"ভূমিকম্প নয়, বরং হিমবাহ ধস ও ভূমিধস থেকেই ওই কম্পনের সৃষ্টি হয়েছিল। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নেপাল-চীন সীমান্ত চৌকি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে লহেন্দে নদীতে বরফ ও পাথরের বিশাল ভূমিধস হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপাল-চীন সীমান্ত এলাকা
- 👥 গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)
- 🔢 মৃত্যু: ১৬০ জন
- 🔢 নিখোঁজ: ৮৪৪ জন
- 🔢 ভূমিধসের দূরত্ব: প্রায় ২০ কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!