📌 পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বিরোধীদলের সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগকে অসার দাবি করেছেন। তিনি জানান, সরকার ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে জনগণের কাছে সার সহজলভ্য করার ব্যবস্থা করেছে। একইসঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন
নীলফামারীর ডোমারের চিলাহাটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বিরোধীদলের বিরুদ্ধে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে এবং বিরোধীরা সরকারের ইমেজ ক্ষুণ্ণ করতে এ ধরনের অভিযোগ তুলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিরোধীদল সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরকারের ইমেজ ক্ষুণ্ণ করতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
- 📌 বিএনপির আমলে কোনো নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়নি, তবে সরকার শূন্য পদে ডিলার নিয়োগের দ্বিতীয় পরিপত্র জারি করেছে।
- 📌 প্রতি ইউনিয়নে ইউএনওর মাধ্যমে একজন করে ডিলার নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে জনগণ সহজেই সার পায়।
- 📌 তিস্তা মহাপরিকল্পনা ২০২৭ সালে শুরু হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য অর্জনে সরকার কাজ করছে।
📰 বিস্তারিত
বুধবার বিকেল ৪টায় নীলফামারী জেলার ডোমারের চিলাহাটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বিরোধীদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, তারা সরকারের ইমেজ ক্ষুণ্ণ করতে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির আমলে কোনো নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়নি, তবে সরকার পূর্ববর্তী ডিলারদের বহাল রেখে শূন্য পদে নিয়োগের দ্বিতীয় পরিপত্র জারি করেছে। তৃতীয় পরিপত্রের মাধ্যমে প্রতি ইউনিয়নে ইউএনওর মাধ্যমে একজন করে ডিলার নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে জনগণ সহজেই সার সংগ্রহ করতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারের দাম যাতে বেশি না হয় সেজন্য সরকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছে। তিনি আরও জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা ২০২৭ সালে শুরু হবে, যা উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখ দূর করবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকাবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে কৃষিকাজ, মৎস্য চাষ ও হাঁস পালন করতে পারবেন।
ফরহাদ হোসেন আজাদ প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য অর্জনে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করেছে এবং পাঁচটি ক্রাইটেরিয়ার ভিত্তিতে কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। প্রথম তিনটি ক্রাইটেরিয়ার আওতায় যারা পড়বেন তাদেরকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে, তবে অনেক নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নেই। তিনি ভারত সরকারকে অনুরোধ করেন যাতে জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
"আমাদের ভোট জোড় নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন যারা, তাদের আমির বলেছিলেন যে, কিসের ফ্যামিলি কার্ড? আজকে কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে আমাদের ১০টি উপজেলায় প্রায় ১৪টি ইউনিয়নে সেই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার চিলাহাটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফরহাদ হোসেন আজাদ (পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ আগস্ট, বিকেল ৪টা, ১০টি উপজেলা, ১৪টি ইউনিয়ন, ২৫ কোটি বৃক্ষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!