📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে রাষ্ট্রের শত্রু ঘোষণা করে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ উপস্থাপিত অডিও কথোপকথনে উঠে আসে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনা ও আরাফাতের প্রতিক্রিয়া।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ উপস্থাপিত অডিও কথোপকথনে উঠে এসেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে রাষ্ট্রের শত্রু ঘোষণা করে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনা অনুযায়ী আরাফাত এই হুমকি দেন বলে ট্রাইব্যুনালে জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে রাষ্ট্রের শত্রু ঘোষণা করে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত
- 📌 ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনা ছিল ‘আজকে যেন কোনো সংঘাতের খবর যেন না দেয়’
- 📌 আরাফাত জানান, যেসব চ্যানেল সংঘাতের ভিডিও প্রচার করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- 📌 বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে আরাফাত জানান, আন্দোলন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে
📰 বিস্তারিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে করা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ অডিও কথোপকথনটি বাজিয়ে শোনানো হয়। কথোপকথনে ওবায়দুল কাদের মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে বলেন, ‘এই যে যারা কথা শোনে না, তাদের টিভি চ্যানেলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর জবাবে আরাফাত বলেন, ‘ওই যে অফ করে দিছি গতকাল দুই–একটাকে। আজকেও বলে রাখছি, যেগুলা শুনবে না, অফ করে দিবে সাথে সাথে।’ পরে কাদের আবারও নির্দেশ দেন, ‘আজকে যেন কোনো সংঘাতের খবর না দেয়।’
আরাফাত উত্তরে বলেন, ‘আজকেও ওদেরকে বলছি যে আজকে যদি কোনো ক্ল্যাশের বা মারামারির ভিডিও ফুটেজ বা ছবি দেখায়, ওদেরকে এনিমি অব দ্য স্টেট হিসেবে ডিক্লেয়ার করা হবে এবং সারা জীবনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে। আমি থ্রেট করে রাখছি আজকে।’
"আর ওই যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উনাকে বসায় রাখছি যে আপনি কনস্ট্যান্টলি (একটানা) দেখবেন, যে টিভি ক্ল্যাসের ছবি দেখাবে, সাথে সাথে অফ করে দেবেন। আমার কোনো পারমিশনের জন্য মেসেজ পাঠাবেন না। আপনাকে ঢালাও পারমিশন দিয়ে রাখলাম। আর উইদাউট মাই পারমিশন ওটা অন করবেন না আর। এই ব্যবস্থা নিয়ে রাখছি কাদের ভাই আজকে।"
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলাপ করে কী বুঝেছেন, তা জানতে চান ওবায়দুল কাদের। আরাফাত উত্তরে বলেন, ‘আলাপ করার পর নেত্রীকে এখন ব্রিফিং করার জন্য আসছি। নেত্রী ইনস্ট্রাকশন দিছেন।’
আরাফাত আরও জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। এক ভাগ কোটা আন্দোলনকারী ছাত্র, যাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। অন্য ভাগ তৃতীয় পক্ষ হিসেবে জামায়াত-বিএনপির সন্ত্রাসীরা যারা পোড়াচ্ছে। কারফিউর সিদ্ধান্ত জামায়াত-বিএনপির সন্ত্রাসীদের বিপক্ষে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওবায়দুল কাদের, মোহাম্মদ আলী আরাফাত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!