📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় খাসি নিয়ে বিরোধের জেরে জাপানপ্রবাসী বর জুনায়েদ বিয়ে না করেই ফিরে যান। বরের ভাই পারভেজ দাবি করেন, খাসি দেওয়ার বিষয়টি আগেই জানানো হয়েছিল। ফর্দনামায় ২ লাখ টাকা কাবিন ধার্য ছিল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানে খাসি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে জাপানপ্রবাসী বর জুনায়েদ বিয়ে না করেই চলে যান। ঘটনার নতুন মোড় হিসেবে বরের ছোট ভাই পারভেজ খাসি দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে উভয় পক্ষের সম্মতিতে করা ফর্দনামায় ২ লাখ টাকা নগদ কাবিনের উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় খাসি নিয়ে বিরোধের জেরে জাপানপ্রবাসী বর জুনায়েদ বিয়ে না করেই ফিরে যান
- 📌 বরের ভাই পারভেজ দাবি করেন, খাসি দেওয়ার বিষয়টি আগেই মেয়ে পক্ষকে জানানো হয়েছিল
- 📌 ফর্দনামায় দুই পক্ষের সম্মতিতে ২ লাখ টাকা নগদ কাবিন ধার্য ছিল
- 📌 বরের পক্ষের অভিভাবক মনির হোসেন ফর্দনামায় স্বাক্ষর করেন
- 📌 জুনায়েদ ফেসবুকে দাবি করেন, অতিরিক্ত কাবিন দাবি করা হয়েছিল এবং তাকে হুমকি দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৭ আগস্ট বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে জুনায়েদ কনের বাড়িতে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে গেট ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। খাওয়া-দাওয়া শেষে বরপক্ষের জন্য খদরের খাবার দেওয়া হয়। তখন খাসি না থাকায় জুনায়েদ আপত্তি জানান এবং খাসি ছাড়া বিয়ে করবেন না বলে জানান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আশিক মিয়া বলেন, ‘খাসির বিষয়টি আসার পর তাকে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি রাজি হননি।’ কনের বাবা শফিক মিয়া জানান, তাকে আগে জানানো হলে খাসির ব্যবস্থা করা হতো। তিনি বলেন, ‘আত্মীয়-স্বজনসহ সবাই ছেলেকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন।’
এদিকে বরের ভাই পারভেজ দাবি করেন, বিয়ের বিষয়টি প্রায় ছয় মাস আগে আলোচনা শুরু হয়। প্রায় এক মাস আগে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে বিয়ের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। তিনি বলেন, ১৩ আগস্ট জুনায়েদ জাপান থেকে দেশে আসেন। পরদিন ১৪ আগস্ট ফর্দ হওয়ার সময় উভয়েই সম্মতি দেন। পারভেজের দাবি, বিয়ের দুই দিন আগেও জুনায়েদ খাসি দেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ভিডিও করার কারণে খাসি দেওয়ার প্রচলন রয়েছে।
ফর্দনামায় দুই পক্ষের সম্মতিতে ২ লাখ টাকা নগদ কাবিন ধার্য ছিল বলে দাবি করেন পারভেজ। তিনি বলেন, ‘বিয়ের বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সম্মতি ছিল।’ একই দিন ফর্দনামায় বরের পক্ষের অভিভাবক মনির হোসেন স্বাক্ষর করেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
"বর্তমানে দেশে বিয়ের খদরে খাসি দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। এ ছাড়া কাবিনের টাকা নগদ দেওয়ার বিষয়টিও আগে থেকেই উভয় পক্ষের মধ্যে নিশ্চিত ছিল।" — পারভেজ, বরের ভাই
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তোলাতালা গ্রাম, ধরখার ইউনিয়ন, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বর জুনায়েদ (জাপানপ্রবাসী), পারভেজ (ভাই), মনির হোসেন (অভিভাবক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ টাকা (কাবিন), ১৪ আগস্ট (ফর্দ), ১৭ আগস্ট (বিয়ে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!