📌 যশোরের অভয়নগরে এডিপির প্রকল্পে দুর্নীতির ব্যাপকতা উন্মোচিত হয়েছে। অস্তিত্বহীন স্কুলের নামে অর্থ আত্মসাৎ, রাস্তা নির্মাণ না করে বিল গ্রহণ, ইউড্রেনের নামে অর্থ লোপাটসহ বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
যশোরের অভয়নগরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) প্রকল্পে দুর্নীতির যে ব্যাপক চিত্র প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, তা শুধু স্থানীয় প্রশাসনের অনিয়ম নয়, পুরো ব্যবস্থার জবাবদিহিহীনতারই প্রতিফলন। অস্তিত্বহীন 'সিদ্দিপাশা ভৈরব কিন্ডারগার্টেন স্কুল'-এর নামে দুই লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দ তুলে নেওয়ার ঘটনা দুর্নীতির সুসংগঠিত রূপ তুলে ধরে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পরও প্রকৃত প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে ভুয়া প্রত্যয়নপত্র আদায়ের চেষ্টা দুর্নীতিকে ধামাচাপা দেওয়ারই প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভয়নগরে অস্তিত্বহীন স্কুলের নামে দুই লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দ তুলে নেওয়ার ঘটনা দুর্নীতির সুসংগঠিত উদাহরণ
- 📌 ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে পুরোনো রাস্তার নতুন কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ
- 📌 নির্মিত না হওয়া ইউড্রেনের বিল তুলে নেওয়া এবং দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত অগভীর নলকূপ কাল্পনিক ব্যক্তির নামে বণ্টন
- 📌 প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) দরপত্রহীন কাজের সুযোগ নিয়ে অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করা
📰 বিস্তারিত
অভয়নগর উপজেলায় এডিপির অধীনে বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের ব্যাপকতা প্রকাশ্যে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসনের দুর্নীতির চিত্র ফুটে উঠেছে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ আত্মসাৎ থেকে শুরু করে প্রকল্পের নামে অর্থ লোপাট পর্যন্ত। উপজেলা শিক্ষা কার্যালয় ও এলজিইডির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠেছে কীভাবে এমন অনিয়ম অনুমোদন করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পরও প্রকৃত প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে ভুয়া প্রত্যয়নপত্র আদায়ের চেষ্টা দুর্নীতিকে ধামাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এছাড়া অভয়নগরে ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে পুরোনো রাস্তার নতুন কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, নির্মিত না হওয়া ইউড্রেনের বিল তুলে নেওয়া এবং দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত অগভীর নলকূপ কাল্পনিক ব্যক্তির নামে বণ্টনের ঘটনাও ঘটেছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) দরপত্রহীন ছোটখাটো কাজের সুযোগ নিয়ে অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করার প্রবণতা স্থানীয়ভাবে একটি নিখুঁত উদাহরণ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
"উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের পকেট ভরার হাতিয়ার হতে পারে না। অভয়নগরের এই পুকুরচুরি প্রমাণ করে, নজরদারির অভাব থাকলে সরকারি অর্থ কীভাবে হাওয়া হয়ে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অভয়নগর, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!