📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই শিক্ষকের লড়াই: ফুটবল মাঠে স্বপ্ন বুনছে কিশোরীরা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই শিক্ষকের লড়াই: ফুটবল মাঠে স্বপ্ন বুনছে কিশোরীরা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দারিদ্র্য ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই ক্রীড়াপ্রেমী শিক্ষক মো. সেতাউর রহমান ও ওয়াহেদুল ইসলাম কিশোরীদের ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসে উৎসাহিত করছেন। তাঁদের একাডেমিগুলো থেকে জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ পেয়েছে একাধিক মেয়ে

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গ্রামাঞ্চলের কিশোরীদের জীবনে আলো ফেলছে দুজন নিবেদিতপ্রাণ ক্রীড়া শিক্ষক। দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ ও সামাজিক বাধা জয় করে তাঁরা মেয়েদের ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসে উৎসাহিত করছেন। শিবগঞ্জ উপজেলার রাইজিং কুইন্স স্পোর্টস একাডেমির কোচ মো. সেতাউর রহমান ও সদর উপজেলার মাসুদ-উল হক ইনস্টিটিউটের সহকারী শিক্ষক ওয়াহেদুল ইসলামের হাত ধরে কিশোরীরা নিজেদের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই ক্রীড়া শিক্ষক মো. সেতাউর রহমান ও ওয়াহেদুল ইসলাম কিশোরীদের ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসে উৎসাহিত করছেন
  • 📌 রাইজিং কুইন্স স্পোর্টস একাডেমির অধীনে ২৫ জন কিশোরী নিয়মিত ফুটবল অনুশীলন করছে
  • 📌 মাসুদ-উল হক ইনস্টিটিউটের দল থেকে জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ পেয়েছে একাধিক খেলোয়াড়
  • 📌 খেলোয়াড়দের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করছেন শিক্ষকরা
  • 📌 সেতাউর রহমানের একাডেমি থেকে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চড়িয়েছেন সোহাগী কিসকু, কোহাতি কিসকু, সাগরিকা, মুন্নী ও স্বপ্না রানী
  • 📌 ওয়াহেদুল ইসলামের দলের খেলোয়াড় সাহিমা সরেন এখন স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনার পাশাপাশি সহকারী রেফারি হিসেবেও কাজ করছেন

📰 বিস্তারিত

দারিদ্র্য ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেক কিশোরীর লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই ক্রীড়া শিক্ষক সেই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। শিবগঞ্জ উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের রাইজিং কুইন্স স্পোর্টস একাডেমির লাইসেন্সধারী কোচ মো. সেতাউর রহমান ২০২১ সালের ডিসেম্বরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আসেন। এর আগে তিনি চার বছর ঠাকুরগাঁওয়ে কোচিং করেছেন। তাঁর একাডেমিতে এখন ব্যাচে নিয়মিত অনুশীলন করছে ২৫ জন স্কুলপড়ুয়া কিশোরী। তাঁরা অনূর্ধ্ব-১৪ ও ১৭ পর্যায়ের জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সুনাম অর্জন করেছে।

অন্যদিকে, সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের আতাহার গ্রামের মাসুদ-উল হক ইনস্টিটিউটের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের সহকারী শিক্ষক ওয়াহেদুল ইসলাম ২০০৯ সাল থেকে কিশোরীদের ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন। তাঁর দলের ১৭ জন খেলোয়াড় বিভাগীয়, অনূর্ধ্ব-১৪ ও ১৭ পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সুনাম অর্জন করেছে। তাঁর দলের সাহিমা সরেন এখন স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনার পাশাপাশি ওয়াহেদুল ইসলামের সহকারী রেফারি হিসেবেও কাজ করছেন। সম্প্রতি তাঁর দলের দুজন খেলোয়াড় নতুন কুঁড়ির ফুটবল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

ওয়াহেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাঁর দলের অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাল্যবিবাহের কারণে ঝরে পড়েছে। তিনি পরিবারকে বুঝিয়ে সেই বিয়ে বন্ধ করে খেলোয়াড়কে মাঠে ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হন। তাঁর দলের খেলোয়াড়দের প্রতি মাসে মহানন্দা ট্রাস্টের উদ্যোগে দেড় হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের আনুষঙ্গিক ফিও মওকুফ করা হয়েছে। খেলোয়াড়দের যাতায়াতের জন্য সাইকেল দেওয়া হয়েছে। তাঁরা যত দিন পড়াশোনা করবে, ট্রাস্ট থেকে তাদের শিক্ষার খরচ বহন করা হবে।

"আমাদের এই সংগ্রামটা প্রতিদিনের যুদ্ধের মতো। তবে মেয়েদের খেলাধুলার মধ্যে রাখতে পারলে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা, শিবগঞ্জ উপজেলা ও সদর উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সেতাউর রহমান, ওয়াহেদুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ জন (সেতাউর রহমানের একাডেমিতে), ১৭ জন (ওয়াহেদুল ইসলামের দল), ১৪ ও ১৭ বছর (অনূর্ধ্ব পর্যায়), ৫ বছর (ওয়াহেদুল ইসলামের প্রশিক্ষণকাল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖