📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্ট্রোকের শিকার হলেও প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দিতে প্রতিদিন সড়কে দাঁড়ান ৬০-এর এই বেকার নিরাপত্তা প্রহরী

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
স্ট্রোকের শিকার হলেও প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দিতে প্রতিদিন সড়কে দাঁড়ান ৬০-এর এই বেকার নিরাপত্তা প্রহরী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৬০ বছর বয়সী আবদুস সালাম স্ট্রোকের কারণে বেকার হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সালাম জানাতে প্রতিদিন সড়কে দাঁড়ান। তিনি এক মাস আগে ব্যাংকের এটিএম বুথে নিরাপত্তা প্রহরীর চাকরি হারিয়েছেন, কিন্তু রোজকার রুটিনে কোনো পরিবর্তন আনেননি

৬০ বছর বয়সী আবদুস সালাম স্ট্রোকের কারণে বেকার হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সালাম জানাতে প্রতিদিন সকালে সড়কে দাঁড়ান। তিনি এক মাস আগে ব্যাংকের এটিএম বুথে নিরাপত্তা প্রহরীর চাকরি হারিয়েছেন, কিন্তু রোজকার রুটিনে কোনো পরিবর্তন আনেননি। সকাল নয়টায় তিনি রমনা এলাকার একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের পথে দাঁড়িয়ে থাকেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৬০ বছর বয়সী আবদুস সালাম** স্ট্রোকের কারণে বেকার হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সালাম জানাতে প্রতিদিন সড়কে দাঁড়ান।
  • 📌 **২৫ বছর চালকের কাজ** করেছেন, পরে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে বেকার হন।
  • 📌 **এক মাস আগে ব্যাংকের এটিএম বুথে নিরাপত্তা প্রহরীর চাকরি হারান**, কিন্তু রোজকার রুটিনে কোনো পরিবর্তন আনেননি।
  • 📌 **প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিনে হাত নেড়ে সালাম গ্রহণ করেন**, আবদুস সালামের শান্তি পায়।
  • 📌 **পাবনা জেলার আমিনপুরের বাসিন্দা** আবদুস সালাম, পরিবারে স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

আবদুস সালামের বাসস্থান ঢাকার মানিকনগর এলাকায়। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীরে সালাম দেই। উনি সালাম লন। কইলজাডায় শান্তি লাগে।’ তিনি প্রথম আলোকে জানান, ‘কাম নাই। এ্যার পরেও প্রতিদিন পোশাক পরি। ব্যাগে ধানের শীষ নিয়ে সকালে চইল্লা আসি। শুক্র-শনি বাদ দিয়ে প্রতিদিনই আইসা পড়ি।’ তিনি বলেন, ‘রেগুলার এহানে দাঁড়াই। রেগুলার আমারে প্রধানমন্ত্রী একনজর তাকায়া দেখে।’

আবদুস সালামের গল্পে দেখা যায়, তিনি একসময় দূরপাল্লার পরিবহনের চালকের কাজ করতেন। ২৫ বছর সেই কাজ করেছেন। তবে কয়েক বছর আগে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি বেকার অবস্থায় বাড়িতে ছিলেন। পরে তিনি একটি বেসরকারি ব্যাংকের নিরাপত্তা প্রহরীর কাজ পান। কিন্তু মাসখানেক আগে সেই কাজও হারান। বেকার অবস্থায় থাকলেও তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সালাম জানানোর রুটিনে পরিবর্তন আনেননি।

আবদুস সালামের বাড়ি পাবনা জেলার আমিনপুরে। পরিবারে স্ত্রী ছাড়াও রয়েছেন দুই সন্তান। মেয়ের বিয়ে হলেও ছেলে এখনো বেকার। তিনি বলেন, ‘আইজকাও প্রধানমন্ত্রীরে সালাম দিলাম। রুমন স্যার ছিল। ওনারে সালাম দিলাম। ওনারা আমারে তাকায়া দ্যাখলো। আমার সালাম নিল।’

"আমি দৌড় মাইরা ধানের শীষ নিয়া দাঁড়াইলাম। আমাকে হাত নাইড়া, আমার সালাম গ্রহণ করলো। খুব শান্তি পাইছিলাম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রমনা (পুরোনো রমনা থানার পাশে), ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুস সালাম (৬০), প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (চালকের কাজ), ৬০ বছর (আবদুস সালামের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖