📌 যশোরে দৈনিক রানার সম্পাদক এম সাইফুল আলম মুকুল হত্যাকাণ্ডের ২৮ বছর পার হলেও বিচার এখনো অধরা। উচ্চ আদালতে মামলাটি আটকে থাকায় আসামিরা রয়েছেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে। রোববার যশোরে মুকুলের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে
যশোরে দৈনিক রানার সম্পাদক এম সাইফুল আলম মুকুল হত্যাকাণ্ডের ২৮ বছর পূর্ণ হলেও বিচারের মুখ দেখেনি মামলাটি। উচ্চ আদালতে মামলাটি আটকে থাকায় আসামিরা রয়েছেন আইনের ফাঁক গলে। আইনজীবীদের মতে, যে রিটের কারণে মামলাটি উচ্চ আদালতে আটকে আছে, তার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতে বিচার শুরু করা সম্ভব নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৯৮ সালের ৩০ আগস্ট যশোর শহরের চারখাম্বার মোড়ে বোমা হামলায় নিহত হন রানার সম্পাদক এম সাইফুল আলম মুকুল
- 📌 হত্যাকাণ্ডের পর স্ত্রী হাফিজা আক্তার শিরিন কারও নাম উল্লেখ না করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন
- 📌 ১৯৯৯ সালের ২৩ এপ্রিল সিআইডির তৎকালীন এএসপি দুলাল উদ্দিন আকন্দ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন
- 📌 ২০০৫ সালে হাইকোর্টের নির্দেশে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হলেও আইনি জটিলতায় বারবার স্থবির হয়ে পড়ে বিচার প্রক্রিয়া
- 📌 গত ১৬ বছর ধরে উচ্চ আদালতে মামলাটি আটকে থাকায় নিম্ন আদালতে বিচার শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না
📰 বিস্তারিত
যশোর শহরের চারখাম্বার মোড়ে ১৯৯৮ সালের ৩০ আগস্ট রাতে বোমা হামলায় নিহত হন দৈনিক রানার সম্পাদক এম সাইফুল আলম মুকুল। পরদিন তার স্ত্রী হাফিজা আক্তার শিরিন কারও নাম উল্লেখ না করে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির তৎকালীন এএসপি দুলাল উদ্দিন আকন্দ ১৯৯৯ সালের ২৩ এপ্রিল তৎকালীন মন্ত্রী তরিকুল ইসলামসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
তবে আইনি জটিলতার কারণে মামলাটির কার্যক্রম থমকে যায়। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ থেকে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করে বর্ধিত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই বছরের ২১ ডিসেম্বর সিআইডি কর্মকর্তা মওলা বক্স নতুন দু’জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন।
২০০৬ সালের ১৫ জুন যশোরের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল ও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ২২ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জ গঠন করা হয়। তবে মামলা থেকে তৎকালীন মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম ও রূপম নামে আরেক আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সাংবাদিক ফারাজী আজমল হোসেন উচ্চ আদালতে আবেদন করলে মামলাটির কার্যক্রম আবার স্থবির হয়ে পড়ে।
"মুকুল হত্যা মামলার বিচারকাজ নিম্ন আদালতে শেষ পর্যায়ে ছিল, কিন্তু উচ্চ আদালতে এক আসামির আবেদনের কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। হাইকোর্টে আবেদনের নিষ্পত্তির পরই সংশ্লিষ্ট আদালতে বিচার শুরু হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর শহর, চারখাম্বার মোড়
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: এম সাইফুল আলম মুকুল (রানার সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর, ২২ জন অভিযুক্ত, ১৬ বছর স্থবির
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!