📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলা সংগীতের দিকপাল শচীন দেব বর্মণের ৫১ বছর পর মৃত্যুবার্ষিকী: কালজয়ী গানগুলো আজও শ্রোতাদের মুগ্ধ করছে

বাংলা সংগীতের দিকপাল শচীন দেব বর্মণের ৫১ বছর পর মৃত্যুবার্ষিকী: কালজয়ী গানগুলো আজও শ্রোতাদের মুগ্ধ করছে

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলা সংগীতের কিংবদন্তি শচীন দেব বর্মণের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। কুমিল্লা জন্মগ্রহণকারী এই শিল্পী ১৯৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর প্রয়াত হন। তাঁর সৃষ্টি করা অসংখ্য কালজয়ী গান আজও জনপ্রিয়

বাংলা সংগীতের অন্যতম দিকপাল ও কিংবদন্তি শিল্পী শচীন দেব বর্মণের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ৬৯ বছর বয়সে তিনি এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেন। কুমিল্লা জন্মগ্রহণকারী এই শিল্পীর সুরের বিস্তার ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো উপমহাদেশে। তাঁর সৃষ্টি করা অসংখ্য কালজয়ী গান যেমন ‘বাঁশি শুনে আর কাজ নাই’, ‘কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া’, ‘নিশীথে যাইও ফুল বনে রে ভ্রমরা’ ও ‘তুমি আর নেই সে তুমি’ আজও শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রাখছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে শচীন দেব বর্মণের মৃত্যুবার্ষিকী পূরণ হচ্ছে — তিনি ১৯৭৫ সালের এই দিনে ৬৯ বছর বয়সে প্রয়াত হন
  • 📌 ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন শচীন দেব বর্মণ, তবে তাঁর পৈতৃক আদি নিবাস ছিল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য
  • 📌 ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি বাংলাদেশের যুদ্ধ তহবিল সংগ্রহে ভারতের মুম্বাই, দিল্লি ও কলকাতাসহ বিভিন্ন শহরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন
  • 📌 পদ্মশ্রীসহ একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন তিনি, যার মধ্যে রয়েছে ফিল্মফেয়ার ও বিএফজেএ অ্যাওয়ার্ড এবং ১৯৩৪ সালের সর্বভারতীয় সংগীত সম্মেলনের স্বর্ণপদক
  • 📌 প্রখ্যাত গীতিকার মীরা দেব বর্মণের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শচীন দেব বর্মণ, এবং তাঁদের একমাত্র সন্তান রাহুল দেব বর্মণ পরবর্তীকালে ভারতীয় সংগীতজগতে খ্যাতি অর্জন করেন

📰 বিস্তারিত

শচীন দেব বর্মণ সংগীতজগতে নিজস্ব স্বতন্ত্র ধারা তৈরি করে অল্প সময়েই শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। তাঁর সৃষ্টি করা গানগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সমানভাবে জনপ্রিয়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি যুদ্ধপীড়িত মানুষদের সহায়তায় এগিয়ে আসেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির যুদ্ধ তহবিলের জন্য ভারতের বিভিন্ন শহরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেন তিনি।

সংগীতের ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন। ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী খেতাবে ভূষিত করে। এছাড়াও তিনি ফিল্মফেয়ার ও বিএফজেএ অ্যাওয়ার্ডসহ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৩৪ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় সংগীত সম্মেলনে তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন।

শচীন দেব বর্মণের মৃত্যুর ৫১ বছর পরেও তাঁর সৃষ্টি করা গানগুলো শ্রোতাদের মনে অমলিন হয়ে আছে। তাঁর সুরের বিস্তার ছিল পুরো উপমহাদেশে, এবং তাঁর সৃষ্টি করা গানগুলো আজও বাংলা সংগীতের অন্যতম মূল্যবান সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।

"শচীন দেব বর্মণের সৃষ্টি করা গানগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সমানভাবে জনপ্রিয়। তাঁর সুরের বিস্তার ছিল পুরো উপমহাদেশে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমিল্লা (জন্মস্থান), কলকাতা, মুম্বাই, দিল্লি (সংগীত অনুষ্ঠান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শচীন দেব বর্মণ, মীরা দেব বর্মণ, রাহুল দেব বর্মণ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ বছর (মৃত্যুবার্ষিকী), ৬৯ বছর (বয়স), ১৯০৬ (জন্মবছর), ১৯৭৫ (মৃত্যুবছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖